কৃষি ও প্রকৃতি

টমেটোর এই রোগের নাম শুনেছেন, করণীয় কী?

গ্রীষ্মকালীন অথবা আগাম শীতকালীন টমেটো চাষিদের একটি কমন সমস্যা হলো—টমেটোর ‘ব্লোজম অ্যান্ড রট রোগ’। যে কারণে কৃষকেরা না বুঝেই অযথা হাজার হাজার টাকার ছত্রাকনাশক স্প্রে করে থাকেন। তাতে সমস্যার সমাধান হয় না বরং সঠিক তথ্য না জানার কারণে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন।

Advertisement

রোগের লক্ষণ১. টমেটোর তলায় একটি কালো দাগ দেখা যায়। ২. প্রাথমিক পর্যায়ে এটি হালকা সবুজ থাকে। ৩. টমেটো বড় হওয়ার সাথে সাথে দাগ বাদামি ও কালো হয়ে সংকুচিত হয়ে যায়। ৪. অবশেষে ফলের তলভাগের অভ্যন্তরে কালো পচন দেখা যায়।

ক্ষতির পরিমাণএ রোগের ফলে টমেটো খাওয়ার অনুপোযোগী হয়ে যায় এবং শতভাগ ক্ষতি হতে পারে।

জৈব পদ্ধতিতে নিয়ন্ত্রণ> ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ পদার্থ যেমন- পোড়া চুন অথবা ডলোমাইট অথবা জিপসাম এইজেড অনুসারে মাটিতে ব্যবহার করুন। > পর্যাপ্ত পরিমাণে জৈব সার ব্যবহার করুন। > মাটি পরীক্ষা করে সুষম মাত্রায় সার প্রয়োগ করুন।

Advertisement

আরও পড়ুনফেনীর পতিত জমিতে পেয়ারা চাষে অপার সম্ভাবনাপাকুন্দিয়ায় গাছ আলু চাষে বদলাচ্ছে কৃষকের জীবন

রাসায়নিক পদ্ধতিতে নিয়ন্ত্রণ১. সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনার আওতায় জৈবিক নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সর্বদা প্রতিরোধের ব্যবস্থা নিন। ২. জরুরি প্রয়োজনে ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড পাতায় স্প্রে করুন। ৩. বারবার কিংবা অতিরিক্ত পরিমাণে ব্যবহার পরিহার করুন। ৪. গ্রিনক্যাল প্রতি লিটার পানিতে ৫-৬ গ্রাম হারে মিশিয়ে গাছে স্প্রে করেও ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।

প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা>> মাটির পিএইচ মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করুন, যেমন- জমিতে ডলোচুন প্রয়োগ করা। >> মাটির আর্দ্রতা ধরে রাখতে মালচিং ব্যবহার করুন।>> অতিরিক্ত ডিএপি সারের উপরিপ্রয়োগ কম করুন।>> চাষের শুরুতে জৈব সার ব্যবহার করুন। >> মাটি পরীক্ষা করে ফসল চাষ করুন।

এসইউ/এএসএম

Advertisement