খেলাধুলা

প্রথমবারের মতো মেয়েদের একাডেমি চ্যাম্পিয়নশিপ করতে যাচ্ছে বাফুফে

সারা দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ফুটবল একাডেমিগুলোকে এক ছাতার নিচে এনে ২০২৪ সালে বিএফএফ একাডেমি চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজন করেছিল বাফুফে। ২৪ জোনে ১৬৮ টি একাডেমি অংশ নিয়েছিল এই চ্যাম্পিয়নশিপে।

Advertisement

একাডেমি নিয়ে এবারও প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে যাচ্ছে বাফুফে। দলের সংখ্যা বাড়িয়ে ৩০০ করার লক্ষ্য বাফুফের। আর নতুন খবর হলো প্রথমবার মেয়েদের একাডেমি চ্যাম্পিয়নশিপও করতে যাচ্ছে দেশের ফুটবলের অভিভাবক প্রতিষ্ঠানটি। রোববার বাফুফের ডেভেলপমেন্ট কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দেশের ফুটবলের পাইপলাইন আরও শক্তিশালী করতে এবার বড়সড় উদ্যোগ। ডেভেলপমেন্ট কমিটির ষষ্ঠ সভা শেষে এই ঘোষণা দেন কমিটির চেয়ারম্যান নাসের শাহরিয়ার জাহেদী। তিনি বলেছেন, ‘বিচ্ছিন্নভাবে নয়, দেশের সব নিবন্ধিত একাডেমিকে একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসাই তাদের লক্ষ্য। এবারের একাডেমি কাপ হবে ছেলে ও মেয়ে—উভয় বিভাগেই। তবে মেয়েদের টুর্নামেন্টের দায়িত্ব সামলাবে বাফুফের নারী উইং। সেখানে সব ধরনের সহায়তা প্রদান করা হবে।’

দেশে নারীদের ফুটবল একাডেমির সংখ্যা সর্বাধিক ৩০টি হতে পারে। বাফুফে প্রত্যাশা করছে ২৫ এর বেশি একাডেমিকে তারা প্রথম আসরে আনতে পারবে। সেটাও বড় একটা ঘটনা হবে নারীদের ফুটবলে। ঋতু-শামসুন্নাহারদের উত্তরসূরি তৈরিতে এই টুর্নামেন্ট কাজে আসবে বলেই মনে করছেন বাফুফে কর্মকর্তারা।

Advertisement

বছরে একটি টুর্নামেন্টেই সীমাবদ্ধ থাকতে চাইছে না বাফুফে। ডেভেলপমেন্ট কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সারা বছর মাঠের ফুটবল সচল রাখতে প্রতি মাসেই অন্তত একটি করে গ্রাসরুট ইভেন্ট আয়োজন করা হবে। এর মধ্যে থাকবে ফুটবল ক্লিনিক, ফুটবল ফেস্টিভ্যাল এবং কমিউনিটি ভিত্তিক নানা কার্যক্রম। এর মূল উদ্দেশ্য হলো কিশোর ফুটবলারদের নিয়মিত খেলার মধ্যে রাখা এবং তাদের উৎসাহিত করা।

অর্থায়নে নতুন কৌশল তৃণমূলের উন্নয়নে এতদিন ফিফার ফান্ডের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা থাকলেও, এবার সেই ধারায় পরিবর্তন আনতে চাইছে বাফুফে। নাসের শাহরিয়ার জাহেদী জানান, ২০২৬ সালকে সামনে রেখে তারা স্থানীয় স্পন্সরদের (ব্যাংক ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান) এই উদ্যোগে যুক্ত করার চেষ্টা করছেন।

এছাড়াও একাডেমিগুলোকে দীর্ঘমেয়াদে টিকিয়ে রাখতে জেলা ও আঞ্চলিক পর্যায়ে নিজস্ব স্পন্সর জোগাড়ে উৎসাহিত করবে বাফুফে। পাশাপাশি ফেডারেশনের পক্ষ থেকে একাডেমিগুলোকে টেকনিক্যাল ও লজিস্টিক সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে।

আরআই/আইএইচএস/

Advertisement