তথ্যপ্রযুক্তি

আইসিটি ও টেলিযোগাযোগ খাতে ভারতনির্ভরতা কমানোর দাবি

ভারত নির্ভরতা কমিয়ে স্বনির্ভর টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি সেবার দাবিতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন।

Advertisement

সংগঠনটি বলছে, আইসিটিতে ভারতনির্ভরতার কারণে দেশীয় দক্ষ জনশক্তি বঞ্চিত হচ্ছে। বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশ থেকে চলে যাচ্ছে। জরুরি সময়ে যোগাযোগ-ব্যবস্থা ঝুঁকির মুখে পড়ছে। এই নির্ভরতা কমিয়ে দেশকে স্বনির্ভর হতে হবে।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে স্বনির্ভর টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি সেবার দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা এসব কথা বলেন।

মানববন্ধনে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের সাবেক পরিচালক খালেদ আবু নাসের বলেন, স্বনির্ভর প্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ সেবা না হলে কী হতে পারে তা আমরা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সময় দেখেছি। বাংলাদেশ এখনো এই খাতে সম্পূর্ণ পরনির্ভরশীল। প্রায় সাত হাজার কোটি টাকা দৈনিক ডিজিটাল লেনদেন হয়। যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটে যায় তাহলে দেশের পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তা সরকারকে অনুমান করতে হবে।

Advertisement

আরও পড়ুনভারতে যাবে না বাংলাদেশ, আইসিসির অনুরোধেও অনড় বিসিবিমোবাইল ফোন আমদানিতে ৬০ শতাংশ শুল্ক কমালো এনবিআর

সভাপতির বক্তব্যে মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) খাতে অতিমাত্রায় ভারতনির্ভরতা জাতীয় নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক স্বার্থ ও প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরনির্ভরশীলতা বাদ দিয়ে আমাদের স্বনির্ভর হতে হবে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দেশের মোবাইল অপারেটর, টাওয়ার কোম্পানি, আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথ, সফটওয়্যার সেবা, নেটওয়ার্ক মেইনটেন্যান্স, ভেন্ডর সাপোর্ট, কল সেন্টার, আইটি আউটসোর্সিং ও বিভিন্ন কোর নেটওয়ার্ক সার্ভিসে দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান ও নাগরিকদের আধিপত্য তৈরি হয়েছে। এতে করে দেশীয় দক্ষ জনশক্তি বঞ্চিত হচ্ছে। বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশ থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে। জরুরি সময়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

এতে আরও বক্তব্য রাখেন, মানবাধিকার ও সমাজকর্মী সাধনা মহল, সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য মাহফুজ, নকিব খান, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজু প্রমুখ।

Advertisement

ইএইচটি/কেএসআর/জেআইএম