চলতি বিপিএলে ঘটনাবহূল সিলেট পর্ব শেষ হয়েছে ১৮ দিনে! নিরাপত্তাজনিত কারণে চট্টগ্রামের খেলাগুলোও আয়োজন করেছে চায়ের শহরটি। আগামীকাল মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হচ্ছে ঢাকা পর্ব। ৩০ ম্যাচের বিপিএলের লিগ পর্বের শেষ ৬টি ম্যাচসহ দুটি কোয়ালিফায়ার, একটি এলিমিনেটর ও ফাইনাল মাঠে গড়াবে হোম অব ক্রিকেটে।
Advertisement
সিলেট পর্ব শেষে ৮ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। ঢাকা আসার আগেই প্লে-অফ নিশ্চিত করেছে চট্টগ্রাম রয়্যালস, সিলেট টাইটানস ও রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। মূলত ঢাকাতে নির্ধারিত হবে এই তিন দলের মধ্যে কারা থাকবে শীর্ষ দুইয়ে।
এই দৌঁড়ে সবচেয়ে এগিয়ে রংপুর রাইডার্স। ৮ ম্যাচে ৪ জয়ে টেবিলের ৪ নম্বরে আছে তারা। তবে সমান ম্যাচে ২ জয় পাওয়া ঢাকা ক্যাপিটালস ও নোয়াখালী এক্সপ্রেসও আছে এই দৌঁড়ে।
এবারের আসরে এখন পর্যন্ত সেরা দল রাজশাহীর অধিনায়কও সবার চেয়ে এগিয়ে। আট ম্যাচে ২৯২ রান নিয়ে শীর্ষে থেকেই ঢাকা পর্ব শুরু করবেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। ১৪২.৩৩ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করা শান্তর আছে ১টি সেঞ্চুরি ও ১টি ফিফটি।
Advertisement
এই তালিকায় পরের চারজনের তিনজন স্থানীয় ও দুজন বিদেশি। সিলেট টাইটানসের পারভেজ হোসেন ইমন আছেন দুই নম্বরে। ৯ ম্যাচে ১৩০ স্ট্রাইক রেটে ২৮৮ রান করেছেন এই বাঁহাতি ওপেনার। ৩টি ফিফটি আছে তার। এই তালিকার তিন নম্বরে চট্টগ্রামের অ্যাডাম রসিংটন। আঙুলের চোটে বিপিএল থেকে ছিটকে যাওয়া এই ওপেনার ৬ ম্যাচে করেছেন ২৫৮ রান। তারও ফিফটি সমান ৩টি।
৮ ম্যাচে ২০৭ রান করা তাওহিদ হৃদয় ৪ নম্বরে। রংপুর রাইডার্সের এই ব্যাটারের ফিফটি দুটি। তারই সতীর্থ ডেভিড মালান আছেন ৫ নম্বরে। ৬ ম্যাচে ২০৩ রান করেছেন ইংল্যান্ডের সাবেক এই ক্রিকেটার।
বোলিংয়ে দাপট দেখিয়েছেন স্থানীয়রা। শীর্ষে পাঁচের সবাই বাংলাদেশের। নোয়াখালী এক্সপ্রেসের পেসার হাসান মাহমুদ ১৪ উইকেট নিয়ে আছেন শীর্ষে। জাতীয় দলের এই পেসার ওভারপ্রতি রান দিয়েছেন মাত্র ৬.০৭ করে। ৭ ম্যাচে ৭ উইকেট নেওয়া চট্টগ্রাম রয়্যালসের শরিফুল ইসলাম আছেন ২ নম্বরে। তিন নম্বরে থাকা রংপুরের মোস্তাফিজুর রহমানের ৮ ম্যাচে শিকার ৮ উইকেট। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের রিপন মন্ডল ৬ ম্যাচে ৬ উইকেট নিয়ে আছেন ৪ নম্বরে। সবচেয়ে বেশি ৯ ম্যাচ খেলা নাসুম আহমেদের শিকার ৯ উইকেট। ওভার প্রতি ৬.২৬ রান দেওয়া সিলেটের এই স্পিনার ৫ উইকেট নিয়েছেন একবার।
মূলত সিলেটে খেলা হওয়ার কথা ছিল ২৬ থেকে ২ ডিসেম্বর। তবে এর মাঝে ৩০ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে একদিন খেলা বন্ধ রাখা হয়।
Advertisement
এরপর শিডিউল ও নিরাপত্তাজনিত কারণে চট্টগ্রামে যায়নি বিপিএল। পরে বন্দরনগরীর খেলা সিলেটেই আয়োজন করে বিসিবি। সবমিলিয়ে ৮ দিনের সিলেট পর্ব শেষ হয়েছে ১৮দিনে।
এসকেডি/আইএন