লাইফস্টাইল

মুখের ত্বককে উজ্জ্বল রাখে ড্রাই ব্রাশিং

আপনি নিশ্চয়ই প্রতিদিন দাঁত ব্রাশ করেন, আর সিল্কি চুল ও স্বাস্থ্যজ্জল স্কাল্পের জন্য চুলও নিয়মিত ব্রাশ করেন। কিন্তু ভাবুন, যদি এখন আপনাকে আপনার ত্বকও ব্রাশ করতে বলা হয়? সময়ের সঙ্গে পরিবর্তনে রূপচর্চার দুনিয়াতেও এসেছে নতুনত্ব।

Advertisement

একেক সময় একেক ট্রেন্ড সবাইকে আকর্ষণ করে। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে এক নতুন ট্রেন্ড মুখের ড্রাই ব্রাশিং। এখন অনেকেই এটি ব্যবহার করছেন।

এই পদ্ধতিতে বলা হচ্ছে, মুখের ত্বক মসৃণ ও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে, আর জ’লাইনকে আরও তীক্ষ্ণ করার ক্ষেত্রেও কিছুটা সহায়ক হতে পারে।

তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, ফেশিয়াল ড্রাই ব্রাশিং আসলে কী এবং এটি কতটা কার্যকর? এটি এখন অনেকের আগ্রহের বিষয়। আসুন জেনে নেওয়া যাক-

Advertisement

ফেশিয়াল ড্রাই ব্রাশিং কী?ফেশিয়াল ড্রাই ব্রাশিং হলো মুখের ত্বক ব্রাশ করার একটি বিশেষ পদ্ধতি। এতে ব্যবহার করা হয় নরম ব্রাশ, মুখ সম্পূর্ণ শুকনো রাখার সঙ্গে সঙ্গে কোনো পানি বা ক্রিম ব্যবহার করা হয় না। ব্রাশ করতে হয় নিচ থেকে উপরের দিকে এবং ভেতর থেকে বাইরের দিকে, যাতে ত্বকের মৃত কোষ আলতোভাবে অপসারিত হয়।

অনেক ব্যবহারকারী জানিয়েছেন, এই পদ্ধতি মুখের লিম্ফ্যাটিক সিস্টেম সক্রিয় করতে সাহায্য করে। এর ফলে মুখের ত্বক সামান্য মসৃণ এবং হালকা উজ্জ্বল দেখায়। লিম্ফ চলাচল বাড়লে মুখের ফোলা কমতে পারে, ফলে জ’-লাইন তুলনামূলকভাবে শার্প দেখায়।

যেভাবে কাজ করেএই পদ্ধতির মূল লক্ষ্য হলো ত্বকে রক্তপ্রবাহ বাড়ানো, মৃত কোষ দূর করা এবং সাময়িক উজ্জ্বলতা আনা। ব্যবহারকারীরা দেখেছেন যে এটি মুখের ত্বক সামান্য মসৃণ ও ফোলা কমাতে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এটি স্থায়ী জ লাইন তৈরি করতে পারে না। জ লাইন মূলত হাড়ের গঠন, পেশির টোন এবং মুখের ফ্যাটের ওপর নির্ভর করে। ড্রাই ব্রাশিং শুধু সাময়িকভাবে ফোলা কমাতে ও মৃত কোষ সরাতে সাহায্য করে, ফলে ত্বক সাময়িকভাবে উজ্জ্বল দেখায়।

ড্রাই ব্রাশিং করার পদ্ধতিমুখ সম্পূর্ণ পরিষ্কার করে শুকিয়ে নিন। মুখের জন্য বিশেষ নরম ব্রাশ ব্যবহার করে হালকা চাপ দিয়ে গলা থেকে উপরের দিকে, গাল ও কপালে ব্রাশ করুন। চোখের চারপাশের সংবেদনশীল অংশ এড়িয়ে চলুন। ১-২ মিনিট যথেষ্ট, সপ্তাহে ২-৩ বার করুন। শেষে ময়েশ্চারাইজার মেখে নিন।

Advertisement

সতর্কতামুখের ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় ঘন ঘন ব্রাশিং করলে লালচে ভাব, ইরিটেশন বা মাইক্রো-স্ক্র্যাচ হতে পারে। ব্রণ, এগজিমা বা ত্বকের ক্ষত থাকলে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা উচিত নয়। অপরিষ্কার ব্রাশ ব্যবহার করলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

আরও পড়ুন: ঘন ঘন মেকআপ ব্র্যান্ড পরিবর্তনে ত্বকের যে ক্ষতি হয় যেভাবে সবসময় উজ্জ্বল থাকেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া 

এসএকেওয়াই/