বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ভোগ্যপণ্যের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা অ্যাম্বিয়েন্তে ফ্রাঙ্কফুর্ট ২০২৬ এ ৩৮টি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। এসব প্রতিষ্ঠান তাদের নতুন ও উদ্ভাবনী পণ্য নিয়ে মেলায় অংশগ্রহণ করবে।
Advertisement
আগামী ৬ থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে আন্তর্জাতিক এ বাণিজ্যমেলা অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্বব্যাপী অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ওয়ান-স্টপ সোর্সিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে স্বীকৃত এই মেলায় বরাবরের মতো এবারও বাংলাদেশের উজ্জল ও শক্তিশালী উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাবে।
আন্তর্জাতিক ভোগ্যপণ্য মেলা হিসেবে পরিচিত অ্যাম্বিয়েন্তে প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে উৎপাদক, প্রদর্শক এবং পেশাদার ক্রেতাদের একত্রিত করে। ডাইনিং, লিভিং, গিভিং, বিউটি অ্যান্ড বাথ, অফিস ও স্কুল সাপ্লাই, গিফট, প্যাকেজিং, ডেকোরেশনসহ বিস্তৃত পণ্যের সমাহার এই মেলাকে আন্তর্জাতিক ক্রেতা ও সরবরাহকারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্রে পরিণত করেছে।
অ্যাম্বিয়েন্তে ফ্রাঙ্কফুর্ট ২০২৬-এ বাংলাদেশ থেকে মোট ৩৮টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করবে, যা দেশের সৃজনশীলতা, নতুনত্ব এবং রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্য তুলে ধরবে। এর মাধ্যমে বৈশ্বিক ভোক্তা বাজারে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান রপ্তানি সম্ভাবনার প্রতিফলন ঘটবে।
Advertisement
আরও পড়ুনসেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে ৪০তম ফোবানা কনভেনশনইইউতে তৈরি পোশাকের বাজার হারাচ্ছে বাংলাদেশ
এর মধ্যে ৩২টি বাংলাদেশি কোম্পানি সরাসরি প্রদর্শক হিসেবে অংশ নেবে। উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে রয়েছে ঢাকা হ্যান্ডিক্রাফ্টস, অপরাজেয়, আরএফএল প্লাস্টিকস, আকিজ সিরামিকস, পিপলস সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ, শাইনপুকুর সিরামিকস, প্যারাগন সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ, সিওআরআর-দ্য জুট ওয়ার্কস, মনি জুট গুডস অ্যান্ড হ্যান্ডিক্রাফটস, গোল্ডেন জুট প্রোডাক্ট, গ্লোবাল গোল্ডেন জুট অ্যান্ড ক্রাফটস, আর্টিসান হাউস বিডি, আর্টিসান সিরামিকস, কনএক্সপো, হ্যান্ড টাচ, আর্থ বাউন্ডসহ আরও বহু খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান।
এছাড়া রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ব্যবস্থাপনায় আরও ৫টি প্রতিষ্ঠান এই মেলায় অংশ নেবে, যারা টেকসই ও কারুশিল্পভিত্তিক উৎপাদন খাতের প্রতিনিধিত্ব করবে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ইকো ক্রেভ, সোনালী আঁশ ইন্ডাস্ট্রিজ, জুট ক্রাফটস, মাফ ক্রাফট বিডি এবং তারাঙ্গো।
অ্যাম্বিয়েন্তে ফ্রাঙ্কফুর্ট বাংলাদেশি রপ্তানিকারকদের জন্য ইউরোপীয় ও বৈশ্বিক বাজারের সঙ্গে সংযোগ জোরদার করার একটি কৌশলগত প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। এই মেলার মাধ্যমে দেশের ব্র্যান্ড দৃশ্যমানতা বৃদ্ধি, টেকসই ও হাতে তৈরি পণ্যের প্রচার এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতা ও বাজারের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
Advertisement
আইএইচও/কেএসআর/জেআইএম