ফরিদপুরের নগরকান্দায় নির্বাচনি প্রচারণাকে কেন্দ্র করে আলমগীর হোসেন (৩৮) নামের জামায়াতে ইসলামীর এক কর্মীকে ছুরিকাঘাত ও হাতুড়িপেটার করার অভিযোগ উঠেছে।
Advertisement
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দিনগত রাতে উপজেলার তালমা ইউনিয়নের কদমতলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত আলমগীর হোসেন জামায়াতে ইসলামীর কর্মী বলে জানা গেছে। তার অভিযোগ, একই এলাকার মিলন শেখ ও রাশেদ মোল্লা তাকে প্রথমে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে এবং পরে হাতুড়িপেটা করে পালিয়ে যান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত মিলন শেখ ও রাশেদ মোল্লা আগে ফরিদপুর-২ আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য শাহাদাব আকবর লাবু চৌধুরীর সমর্থক ছিলেন। তবে বর্তমানে তারা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। আহত আলমগীর হোসেনকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
Advertisement
আহত আলমগীর হোসেন ও তার ভাই জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, ফরিদপুর-২ আসনে খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মাওলানা আকরাম আলীর রিকশা প্রতীকের পক্ষে প্রচারণা শেষে তারা বাড়ি ফিরছিলেন। পথে কদমতলী বাজার এলাকায় মিলন ও রাশেদ অতর্কিত হামলা চালান।
এ বিষয়ে নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাবিবুর রহমান বাবুল তালুকদার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘এই ঘটনাটি সম্পূর্ণ সাজানো। বিএনপির জনপ্রিয়তা ও জনসমর্থনকে বাধাগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যেই এ ধরনের নাটক সাজানো হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পৃক্ততা নেই।’
ফরিদপুর-২ আসনের খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাওলানা আকরাম আলী বলেন, ‘আমরা নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি মেনেই প্রচারণা চালাচ্ছিলাম। কিন্তু পরিকল্পিতভাবে আমাদের কর্মীর ওপর হামলা করে নির্বাচনি পরিবেশ নষ্ট করা হচ্ছে। আমি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।’
নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম রসুল সামদানী বলেন, ঘটনাটি শোনার পর সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
Advertisement
এন কে বি নয়ন/এসআর