ভোলায় এক গার্মেন্টস কর্মী তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই তরুণী বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন।
Advertisement
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাতে ভোলার মনপুরা থানায় এ মামলা করেন তিনি।
মনপুরা উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তালতলা এলাকার স্লুইসগেটের বেড়িবাঁধে এ ঘটনা ঘটে।
মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, ওই তরুণী সুনামগঞ্জের বাসিন্দা। ঢাকায় একটি গার্মেন্টসে চাকরি করেন। তার সঙ্গে ভোলার মনপুরা উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া এলাকার মো. সজীবের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ১৪ জানুয়ারি ওই তরুণী ঢাকা থেকে লঞ্চে মনপুরা উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের দাদির বাড়িতে ওঠেন।
Advertisement
পরে গত শুক্রবার সকালের দিকে স্থানীয় মাসুদ, আল আমিন, আলমগীর, ইদ্রিস মাঝি ও গিয়াসসহ ৭-৮ জন ওই বাড়িতে আসেন। তারা ভয়-ভীতি প্রদর্শন ও সালিশের নামে প্রথমে ২ লাখ টাকা ও পরে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। তাদের ভয়ে ওই দিনই কিছু দূরে প্রেমিকের চাচির বাড়িতে তারা দুজন আশ্রয় নেন। ওই বাড়িতে তাদের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল।
কিন্তু ওই রাতেই তাদের খুঁজতে ওই বাড়িতে আসেন মাসুদ, আল আমিনসহ আরও কয়েকজন। এসময় ওই তরুণী ও তার প্রেমিকের সঙ্গে কথা বলার ছলে ঘর থেকে বের করে বেড়িবাঁধে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা। পরে গভীর রাতে প্রেমিককে আটকে রেখে মাসুদ ও আল আমিন ওই তরুণীকে বেড়িবাঁধের ঢালে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনা কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ধর্ষকরা চলে যায়।
মনপুরা থানার এসআই মো. ইব্রাহীম হোসেন নয়ন জানান, এ ঘটনায় ওই তরুণী বাদী হয়ে শুক্রবার রাতে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় ৩-৪ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।
জুয়েল সাহা বিকাশ/এমএন
Advertisement