ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তরুণ কলাম লেখক ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত ‘শহীদ ওসমান হাদি স্মৃতি বইমেলা-২০২৬’ উদ্বোধন করা হয়েছে।
Advertisement
রোববার (১৮ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. নিয়াজ আহমদ খান ও ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম কবুতর উড়িয়ে বইমেলার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
সভাপতির বক্তব্যে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, শহীদ ওসমান হাদি কেবল বক্তৃতা ও বিবৃতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না। তিনি কাজের মাধ্যমে দেখিয়েছেন লড়াইটা কার বিরুদ্ধে। সাংস্কৃতিক বিপ্লবের মাধ্যমে ইনকিলাব সেন্টার থেকে শুরু করে দেশব্যাপী মানুষের অব্যক্ত কথাগুলো সাহসের সঙ্গে তিনি তুলে ধরেছেন-কোনো তর্ক বা হুমকি ছাড়াই।
তিনি বলেন, আধিপত্যবাদী শক্তি ভেবেছিল ওসমান হাদিকে শহীদ করলে তার আদর্শ নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। কিন্তু বাস্তবে আজ দেশের প্রতিটি প্রান্তে শহীদ ওসমান হাদি ছড়িয়ে পড়েছেন। শিশু থেকে বৃদ্ধ সবাই বলছে- আমরা সবাই হাদি হবো, যুগে যুগে লড়ে যাবো।
Advertisement
বইমেলা সম্পর্কে তিনি বলেন, বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ও ডাকসুর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত পাঁচদিনের বইমেলা কেবল একটি বইমেলা নয়, এটি একটি সাংস্কৃতিক রেজিস্ট্যান্স। এখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ছাত্র সংগঠন, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী ও শিল্পীদের আমন্ত্রণ জানানো হবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাবি উপাচার্য ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, দুটি কারণে আজকের এই বইমেলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একটি হলো, আমাদের বেশিরভাগ সময় কেটে যায় নন-অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে। তবে এই বইমেলা একটি অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমের অংশ, তাই এটি গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয় কারণটি হলো- এই বইমেলার মাধ্যমে আমরা শহীদ শরিফ ওসমান হাদিকে স্মরণ করার সুযোগ পেলাম। তিনি একটি আদর্শ ধারণ করেছেন এবং চূড়ান্ত আত্মত্যাগের মাধ্যমে তা উপস্থাপনের চেষ্টা করেছেন।
এছাড়া, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডাকসুর বিভিন্ন সম্পাদকরা, কার্যনির্বাহী সদস্য, তরুণ কলাম লেখক ফোরামের সাবেক সভাপতি সাংবাদিক আমজাদ হোসেন হৃদয়, বর্তমান সেক্রেটারি আব্দুর রহিমসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
পাঁচদিন ব্যাপী এই বইমেলা চলবে ১৮ জানুয়ারি থেকে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত । সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে এ বইমেলা। বইমেলার পাশাপাশি থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা।
Advertisement
এফএআর/এএমএ/জেআইএম