জাতীয়

অবিলম্বে ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবি

অবিলম্বে ৯ম পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ করার বিষয়টি রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনি ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী পরিষদ।

Advertisement

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের মাওলানা আকরাম খা হলে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজী, প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খায়রুন্নাহার লিপিসহ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় বক্তারা বলেন, আমরা যদি ২০২০ সালে একটা পে স্কেল পেতাম, যদি নরমালি ডাবল করা হতো তাহলে ৮ হাজার টাকার স্কেল ১৬ হাজার টাকা দিত। আবার ২০২৫ সালে নরমালি আমরা আরেকটা পে স্কেল পাওয়ার কথা ছিল। সেটা পেলে ১৬ হাজার টাকার স্কেলটা ৩২ হাজার দিত। আমরা কিন্তু সর্বনিম্ন ৩৫ হাজার টাকা চেয়েছি; খুব বেশি চাইনি।

তারা আরও বলেন, ১০ বছরে যে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধগতি, আমাদের তিন চারটা বেতন এক করলেও তার সমান হবে না। ১২শ টাকার গ্যাস সিলিন্ডার এখন ২৫শ টাকায়ও পাওয়া যাচ্ছে না। তাহলে একজন ১৫ হাজার টাকার বেতনভুক্ত কর্মচারী যদি ২৫০০ টাকা দিয়ে গ্যাস কিনে, তারপর যদি ন্যূনতম ৮ হাজার টাকা বাড়ি ভাড়া দেয়, কারেন্ট বিল, গ্যাস বিল, পানির বিল এ সবকিছু মিলিয়ে ১৫ হাজার টাকা হয়, তাহলে সে খাবে কী? তাহলে তো সে বাধ্যতামূলকভাবে দুর্নীতিতে জড়াবে।

Advertisement

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার উদ্দেশ্যে তারা বলেন, প্রধান উপদেষ্টা আপনি শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন, সেই শান্তিটা বাংলাদেশে বিরাজ করে যান। আমরা সেই শান্তিটা দেখতে চাই যে আপনি শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন, আমাদের আপনি শান্তি দিয়েছেন। আমরা অশান্তি চাই না; আমরা প্রজাতন্ত্রের সরকারি কর্মচারী, সরকারের সকল নিয়মনীতি মেনেই কিন্তু আমরা আন্দোলন করছি। আমরা তো অফিসের কাজ বন্ধ না হয় সেজন্য শুক্রবারে কর্মসূচি দেই, শনিবারে দেই। তারপরও যদি আপনারা না বোঝেন তাহলে কিন্তু আমরা অফিস বন্ধ করে দিতে বাধ্য হব।

৩১ জানুয়ারির মধ্যে নবম পে স্কেলের গেজেটের দাবি জানিয়ে বলা হয়, সামনে যে নির্বাচন আসছে, সেখানে যত রাজনৈতিক দল আছে আপনারা আপনাদের ইশতেহারে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের দাবিগুলো অন্তর্ভুক্ত করুন। ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করে দেখান যে আপনারা শিক্ষকদের সম্মান করেন।

এমএইচএ/এমআরএম

Advertisement