বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও রাজশাহী-২ (সদর) আসনের প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, জিয়াউর রহমান কখনো নিজের এবং পরিবারের কথা ভাবেননি। তিনি সর্বদা দেশ এবং দেশের জনগণকে নিয়ে ভাবতেন। এই মহান নেতার ৯০তম জন্মবার্ষিকীতে তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। সেই সঙ্গে তার দেখানো পথ এবং বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশনা মোতাবেক বিএনপি আগামী দিনে দেশ গড়ার কাজ করবেন।
Advertisement
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৯০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর বিএনপি কার্যালয়ের সামনে দিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
মিজানুর রহমান মিনু বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের রূপকার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আসলেন, জয় করলেন, চলে গেলেন। তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন বলেই বাংলাদেশ নামে একটি ভূখণ্ড রচিত হয়েছে।
মিনু বলে, বাংলাদেশকে স্বনির্ভর করে গড়ে তুলতে জিয়াউর রহমান কৃষির উপরে বেশি জোর দিয়েছিলেন। তিনি বাকশাল বিলুপ্তি করে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি ১৯ দফার আলোকে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করেছিলেন। শুধু তাই নয়, তিনি সার্ক, ওআইসি গঠনসহ ইরাক-ইরানের যুদ্ধ মীমাংসা করে দিয়েছেন। আর তার রোপণকৃত নিম গাছ এখনো সৌদি আরবে জনগণকে ছায়া প্রদান করে।
Advertisement
তিনি আরও বলেন, ১৯৮১ সালে যখন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে হত্যা করা হয়, তখন তার সহধর্মিণী বেগম খালেদা জিয়া বিএনপির হাল ধরেন এবং তার অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করার জন্য কাজ করে গেছেন। তিনি ছিলেন এক অকুতোভয় বীর সেনা।
বক্তব্য শেষে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করে দিনের কর্মসূচির উদ্বোধন করেন মিনু। পরে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এছাড়াও দিবস উপলক্ষে বেলা ১১টার দিকে নগর বিএনপির আয়োজনে দলীয় কার্যালয়ে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনার পাশাপাশি দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করা হয়।
রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন অর রশিদ মামুনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে নগর বিএনপির সহ-সভাপতি আসলাম সরকার, ওয়ালিউল হক রানা, জয়নাল আবেদীন শিবলি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বজলুল হক মন্টু, নগর যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম জনি, সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রবি, নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান জনি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সাখাওয়াত হোসেন/কেএইচকে/জেআইএম
Advertisement