সফলভাবে আফ্রিকা কাপ অব নেশনস আয়োজন করেছে মরক্কো। এই আয়োজন প্রমাণ করেছ যে, ২০৩০ বিশ্বকাপে স্পেন ও পর্তুগালের সঙ্গে যৌথ আয়োজক হওয়ার সক্ষমতা তাদের মাঝে রয়েছে। ফাইনালে কিছু অসঙ্গতি থাকার পরও সঠিকভাবেই সবকিছু সম্পন্ন হয়েছে।
Advertisement
মরক্কোর আধুনিক স্টেডিয়াম, সহজ যোগাযোগব্যবস্থা এবং সঠিক পর্যটন অবকাঠামো কারণে ২৪ দলের এই টুর্নামেন্টটি সম্পন্ন হয়েছে বড় কোনো বিঘ্ন ছাড়াই। টুর্নামেন্টটি সফলভাবে সম্পন্ন করায় সেসব ব্যক্তিদের সংশয় মরক্কো দূর করতে পেরেছে, যারা তাদের বড় আসর আয়োজনের সক্ষমতা নিয়ে সন্দিহান ছিল।
২০৩০ বিশ্বকাপের জন্য মরক্কো ছয়টি ভেন্যু নির্ধারণ করেছে। তার পাঁচটিতেই আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের খেলা হয়েছে। প্রশংসা কুড়িয়েছে প্রতিটি মাঠই। উত্তরের উপকূলীয় শহর তাঞ্জিয়ারের গ্র্যাড স্টেড ৭৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন স্টেডিয়ামটি বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। স্পেন থেকে ফেরিতে এক ঘণ্টারও কম সময়ে পৌঁছানো যায় এই স্টেডিয়ামে।
রাজধানী রাবাতের স্টাড মুলে আবদেল্লাহতে অনুষ্ঠিত ফাইনালটির ধারণক্ষমতা ৬৯ হাজার ৫০০। ফাইনালে উপস্থিতি ছিলে ৬৬ হাজার ৫২৬ জন দর্শক। আগাদির, ফেস ও মারাকেশের স্টেডিয়ামগুলিও মানসম্মত ছিল এবং আগামী কয়েক বছরে সেগুলো সংস্কার করা হবে।
Advertisement
সবচেয়ে আলোচিত প্রকল্প হলো কাসাব্লাঙ্কার উপকণ্ঠে প্রস্তাবিত ১১৫ হাজার আসনবিশিষ্ট স্টাড হাসান টু। মরক্কো আশা করছে, মাদ্রিদের সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর বদলে এই স্টেডিয়ামেই ২০৩০ বিশ্বকাপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে।
সব মিলিয়ে ছয়টি স্টেডিয়ামের পেছনে মরক্কোর ব্যয় হবে প্রায় ১.৪ বিলিয়ন ডলার। পাশাপাশি বড় বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে বিমানবন্দর সম্প্রসারণেও। ইতোমধ্যে মরক্কোর ১০টি শহর থেকে ইউরোপে সরাসরি ফ্লাইট চালু আছে এবং বহু বাজেট এয়ারলাইন্স দেশটিতে ফ্লাইট পরিচালনা করছে।
আফ্রিকার একমাত্র উচ্চগতির রেলপথ, যা তাঞ্জিয়ার থেকে কাসাব্লাঙ্কা যেতে তিন ঘণ্টায় এটি রও দক্ষিণে আগাদির ও মারাকেশ পর্যন্ত সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
আইএন
Advertisement