সীমিত বাজেটের মধ্যে যদি একটি নির্ভরযোগ্য, আরামদায়ক এবং জ্বালানি সাশ্রয়ী বাইক খুঁজে থাকেন, তাহলে এই বাইকটি আপনার জন্য সেরা হতে পারে। বর্তমান বাজারে টিভিএস স্টার সিটি প্লাসকে সবচেয়ে সাশ্রয়ী মূল্যের ডিস্ক-ব্রেকযুক্ত কমিউটার বাইকগুলোর একটি হিসেবে ধরা হয়।
Advertisement
এই বাইকটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ১০৯.৭ সিসি এয়ার-কুলড ইঞ্জিন, যা দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য পর্যাপ্ত শক্তি দেয়। ইঞ্জিনটি শহরের ব্যস্ত রাস্তায় মসৃণ পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে এবং দীর্ঘ সময় চালালেও অতিরিক্ত ক্লান্তি তৈরি করে না। এর সঙ্গে রয়েছে ৪-স্পিড গিয়ারবক্স, যা বিশেষ করে নতুন রাইডারদের জন্য বাইক চালানোকে সহজ ও স্বচ্ছন্দ করে তোলে। সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় প্রায় ৯০ কিলোমিটার, যা অফিস যাতায়াত কিংবা প্রতিদিনের কাজে যথেষ্ট।
টিভিএস স্টার সিটি প্লাসের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো এর জ্বালানি সাশ্রয়ী ক্ষমতা। কোম্পানির দাবি অনুযায়ী, বাইকটি প্রতি লিটারে প্রায় ৮৩ কিলোমিটার মাইলেজ দিতে সক্ষম। অনেক রাইডারই ৭০ থেকে ৭৫ কিলোমিটার প্রতি লিটার মাইলেজ পাচ্ছেন। বাইকটিতে রয়েছে ১০ লিটারের ফুয়েল ট্যাংক, ফলে একবার পুরো ট্যাংক ভরলে প্রায় ৭৫০ থেকে ৮০০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলার সম্ভাবনা হবে। এই কারণেই এটি কম খরচে দীর্ঘ সময় ব্যবহারযোগ্য একটি বাইক হিসেবে জনপ্রিয়।
নিরাপত্তার দিক থেকেও বাইকটি বেশ ভালো। টপ ভ্যারিয়েন্টে রয়েছে ফ্রন্ট ডিস্ক ব্রেক, যা দ্রুত ও নিয়ন্ত্রিত ব্রেকিং নিশ্চিত করে। এর সঙ্গে যুক্ত সিঙ্ক্রোনাইজড ব্রেকিং সিস্টেম (এসবিএস), যা হঠাৎ ব্রেক কষলেও বাইকের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। আধুনিক লুকের জন্য এতে রয়েছে এলইডি হেডলাইট, ডিজিটাল ও অ্যানালগ মিটার কনসোল এবং দীর্ঘ সময় বসে চালানোর উপযোগী আরামদায়ক সিট।
Advertisement
দামের দিক থেকেও বাইকটি বেশ আকর্ষণীয়। ভারতে এর এক্স-শোরুম মূল্য প্রায় ৭৫ হাজার ২০০ রুপি। ফলে যাদের বাজেট ৮০ হাজার টাকার মধ্যে এবং যারা কম খরচে বেশি মাইলেজ ও নির্ভরযোগ্য একটি বাইক খুঁজছেন, তাদের জন্য টিভিএস স্টার সিটি প্লাস হতে পারে একটি বুদ্ধিমানের সিদ্ধান্ত। অফিস যাতায়াত, বাজার করা কিংবা ছোটখাটো ভ্রমণের জন্য এই বাইকটি নিঃসন্দেহে একটি ব্যবহারিক ও সাশ্রয়ী পছন্দ।
আরও পড়ুনবৃষ্টিতে বাইকের সাইলেন্সারে পানি ঢুকলে কী করবেন?বাইকের ‘এবিএস সিস্টেম’ আসলে কী জানেন?
সূত্র: অটোকার ইন্ডিয়া
কেএসকে
Advertisement