ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ‘প্ল্যান্ট টিস্যু কালচার ও বায়োটেকনোলজি বিষয়ক’ তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু হয়েছে। শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে এ সম্মেলন শুরু হয়েছে।
Advertisement
ঢাবির প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই সম্মেলন উদ্বোধন করেন। উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ফর টিস্যু কালচার অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি (বিএপিটিসিঅ্যান্ডবি) যৌথভাবে এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে।
বিএপিটিসিঅ্যান্ডবি’র সভাপতি অধ্যাপক ড. রাখহরি সরকারের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি’র মহাপরিচালক ড. মো. ছগীর আহমেদ ও ঢাবির জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. এনামুল হক বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথির বক্তব্য দেন এসিআই পিএলসির গ্রুপ অ্যাডভাইজার ড. এফ এইচ আনসারি।
বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমরি ফেলো অধ্যাপক ড. হাসিনা খান মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বিএপিটিসিঅ্যান্ডবি’র মহাসচিব অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম। উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের প্ল্যান্ট ব্রিডিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি ল্যাবরেটরির গবেষণা সহকারী আবিদা আনজুম এবং আবিদা লতিফ তামান্না অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন।
Advertisement
প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ প্রধান অতিথির বক্তব্যে মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং পরিবেশ সংরক্ষণের দ্বৈত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ‘স্মার্ট বায়োটেকনোলজি’ বা শিল্পায়িত জৈবপ্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
অধ্যাপক ড. মামুন আরও বলেন, শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই। এ লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই এআই সিস্টেম ও ডেটা সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো আমাদের গবেষক ও বিজ্ঞানীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করা। এর মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা ডেটা-চালিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবেন। উচ্চ-ফলনশীল ও প্রতিকূলতা সহনশীল ফসল উৎপাদনের মাধ্যমে খাদ্য চাহিদা পূরণ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং পরিবেশগত টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহারের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। সম্মেলনে দেশ-বিদেশের প্রায় আড়াই শ’ বিজ্ঞানী ও গবেষক অংশগ্রহণ করছেন।
এফএআর/এমএমকে
Advertisement