বলিউডের ‘হি-ম্যান’ ধর্মেন্দ্রের মৃত্যুর কয়েক মাস পেরিয়ে গেলেও স্বামী হারানোর শোক কাটিয়ে উঠতে পারছেন না তার স্ত্রী হেমা মালিনী। কিন্তু সম্প্রতি এক সুখবরে হেমার মন গর্বে ভরে গেছে। কারণ ধর্মেন্দ্রকে এবার মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে।
Advertisement
ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হেমা মালিনী বলেন, তিনি সকালে খবরটা পেয়ে গর্বিত হয়েছেন। কিংবদন্তি এ অভিনেতা বিনোদন জগতে অসাধারণ ভূমিকা রেখেছেন-একজন প্রতিভাবান অভিনেতা ও মানবিক মানুষ হিসেবে তিনি সবসময় অন্যদের সাহায্য করেছেন। হেমা জানান, ধর্মেন্দ্র এই সম্মান পাওয়ার যোগ্য ছিলেন এবং “এটা আরও আগে পাওয়া উচিত ছিল”- এটাই তার একটাই আক্ষেপ।
ধর্মেন্দ্রের চলচ্চিত্র জীবনে কমেডি, রোমান্স থেকে অ্যাকশন-সবই ছিল ভরপুর। ‘শোলে’ সিনেমায় তার ‘বীরু’ চরিত্র আজও দর্শকের মনে অম্লান। ‘জয়’ অর্থাৎ অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে তার অনবদ্য রসায়ন বলিউডের ইতিহাসে এক আলাদা অধ্যায়।
রাজ খোসলার ‘মেরা গাঁও মেরা দেশ’ এবং হৃষিকেশ মুখোপাধ্যায়ের ‘চুপকে চুপকে’-এইসব সিনেমাই তার দীর্ঘ চলচ্চিত্রজীবনের কিছু উল্লেখযোগ্য সিনেমা। ‘ফুল আউর পাথর’, বসু চট্টোপাধ্যায়ের ‘রমকম ঘরানার দিললাগি’- সবই জনপ্রিয়তা পেয়েছিল দর্শকদের মধ্যে। ১৯৬২ সালের ইন্দো-চীন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত ‘হকিকত: স্যাক্রিফাইস ফর কান্ট্রি’ সিনেমায় ‘বাহাদুর সিং’ চরিত্রে তিনি সবাইকে চমক দিয়েছিলেন।
Advertisement
আরও পড়ুন:অ্যাকশন দৃশ্যে বিপদ, ঐশ্বরিয়ার জন্য ছুটেছিলেন অমিতাভ সর্বকালের শীর্ষে শাহরুখের ‘জওয়ান’, দেখুন সেরা ১৫ ছবির তালিকা
হৃষিকেশ মুখোপাধ্যায়ের ‘অনুপমা’তে ‘অশোক’ চরিত্রে এবং রমেশ সিপ্পির ‘সীতা আউর গীতা’ সিনেমায় হেমা মালিনীর সঙ্গে যুগলজীবনে ধর্মেন্দ্রের অভিনয় বিশেষ প্রশংসা পায়। আজ ধর্মেন্দ্রকে পদ্মসম্মানে ভূষিত দেখে বলিউডে আনন্দ ও স্মৃতির নীরব শ্রদ্ধা প্রদর্শিত হচ্ছে।
এমএমএফ
Advertisement