অর্থনীতি

চট্টগ্রামেই ‘ফ্রি ট্রেড জোন’ স্থাপনের সিদ্ধান্ত যে কারণে

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ‘ফ্রি ট্রেড জোন’ (এফটিজেড) গঠনের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। ফ্রি ট্রেড জোন হিসেবে প্রাথমিকভাবে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলাকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

Advertisement

চট্টগ্রামে ফ্রি ট্রেড জোন স্থাপনের সিদ্ধান্তের বিষয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক বিন মাহমুদ হারুন বলেছেন, ফ্রি ট্রেড জোনের জন্য সমুদ্রবন্দর সংযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বে খুব কম দেশেই ল্যান্ডলকড ফ্রি ট্রেড জোন সফল হয়েছে।

তিনি বলেন, ফ্রি ট্রেড জোনের ক্ষেত্রে সমুদ্রের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ ছাড়া আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ করা বাস্তবসম্মত নয়। এই কারণেই চট্টগ্রাম অঞ্চল বেছে নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

Advertisement

আরও পড়ুনআনোয়ারায় দেশের প্রথম ‌‘ফ্রি ট্রেড জোন’ গঠনে নীতিগত অনুমোদনসামরিক শিল্পে প্রবেশ, মিরসরাইয়ে হবে ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনবিডা-বেজা-বেপজাসহ ৬ প্রতিষ্ঠান একীভূতকরণ হচ্ছে

ফ্রি ট্রেড জোন উত্তরবঙ্গে না হয়ে চট্টগ্রামে কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে আশিক চৌধুরী বলেন, উত্তরবঙ্গের অর্থনৈতিক উন্নয়নের বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। কুড়িগ্রামে ভুটান ইকোনমিক জোন, নেপালের সঙ্গে সম্ভাব্য জোন, নীলফামারিতে নতুন ইপিজেড এবং বন্ধ টেক্সটাইল মিলগুলো বেসরকারি খাতে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এর আগে এদিন বেজার গভর্নিং বোর্ডের সভায় ফ্রি ট্রেড জোন গঠনের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।

পরে ব্রিফিংয়ে আশিক চৌধুরী বলেন, ফ্রি ট্রেড জোন হিসেবে প্রাথমিকভাবে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রায় ৬০০ থেকে ৬৫০ একর জমিতে এ জোন গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। ফ্রি ট্রেড জোনকে কার্যত ‘ওভারসিজ টেরিটরি’ হিসেবে পরিচালনা করা হবে, যেখানে কাস্টমস বাধ্যবাধকতা ছাড়াই পণ্য সংরক্ষণ, উৎপাদন ও পুনঃরপ্তানি করা যাবে।

Advertisement

এমইউ/ইএ