ঢাকা-৮ আসনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী মডেল মেঘনা আলম কেবল রাজনৈতিক অঙ্গনেই নয়, ফ্যাশন জগতে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। সম্প্রতি নির্বাচনী প্রচারণায় দেখা গেছে তার সেই ঝলক। সবাই যখন গতানুগতিক নিয়মে প্রচারণায় ব্যস্ত তখনই মেঘনা আলম দেখিয়েছেন চমক। নিজের অনন্য স্টাইল শৈলীর মাধ্যমে নজর কেড়েছেন সবার।
Advertisement
শুধু নজর কেড়েছেন বললে ভুল হবে, এক কথায় তিনি তার ব্যতিক্রমী প্রচরণা দিয়ে হয়ে আছেন সবার মধ্যমণি। মেঘনার নির্বাচনী লুকটি ছিল একেবারে রাজকুমারীর মতো লাল রঙের শাড়ি, সূক্ষ্ম স্বর্ণালী কাজ এবং মাথায় ঝলমলে মুকুট। এই মুকুট শুধু একটি ফ্যাশন উপকরণ নয়; এটি এক ধরনের শক্তি এবং আত্মবিশ্বাসের প্রতীক। শাস্ত্রীয় ডিজাইনের মুকুটটি তার রূপকে আরও প্রাসঙ্গিক ও আভিজাত্যপূর্ণ করে তুলেছে, যা সাধারণ নির্বাচনী প্রচারণাকে একটি ফ্যাশন ইভেন্টে পরিণত করেছে।
সাধারণত মুকুটের ব্যবহার প্রায়শই রাজকীয় মর্যাদা, ক্ষমতা ও দৃঢ়তার সঙ্গে সম্পর্কিত। মেঘনার ক্ষেত্রে এটি একটি রাজনৈতিক বার্তা বহন করেছে, যে নারী প্রার্থীও রাজনীতির মঞ্চে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যেতে পারে। মুকুটের সঙ্গে মিলেমিশে লাল শাড়ি এবং সুবিন্যস্ত মেকআপ তাকে এক অনন্য ‘নির্বাচনী রূপকথার রাজকুমারী’ হিসেবে তুলে ধরেছে।
Advertisement
এটি প্রমাণ করে যে, নির্বাচনী প্রচারণায় ফ্যাশন কেবল সাজসজ্জার উপকরণ নয়, বরং ব্যক্তিত্ব, বার্তা ও উপস্থিতির একটি শক্তিশালী মাধ্যম। মেঘনা আলমের এই স্টাইল স্টেটমেন্ট নিশ্চিতভাবে অনুপ্রেরণা জোগাবে অন্য নারী প্রার্থীদের জন্য, যারা রাজনৈতিক এবং ফ্যাশন জগতে এক সঙ্গে পরিচিতি তৈরি করতে চান।
আরও পড়ুন: ন্যুড ড্রেসে তামান্না, চোখ ফেরানো দায় আলোচনা ছাপিয়ে স্টাইলিশ বুবলীর এগিয়ে চলা হট পিংকে আত্মবিশ্বাসী সাদিয়ামেঘনা আলম শুধু রাজনৈতিক লড়াইয়ের জন্য নয়, ফ্যাশন সচেতনতায়ও একজন নতুন আইকন হিসেবে পরিচিত হচ্ছেন। তার মুকুট লুকটি প্রমাণ করে যে, ফ্যাশন এবং রাজনৈতিক আত্মপ্রকাশ একসাথে একটি শক্তিশালী বার্তা দিতে পারে।
মেঘনা আলম বর্তমানে রাজনীতি অঙ্গনে পা রাখলেও তার রয়েছে আরও একাধিক পরিচয়। তিনি একাধারে একজন মডেল, পরিবেশ আন্দোলনকর্মী ও সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার খেতাবধারী। তিনি মিস আর্থ বাংলাদেশ ২০২০-এর মুকুট অর্জন করেন এবং একই বছর বাংলাদেশকে মিস আর্থ ২০২০ প্রতিযোগিতায় প্রথমবারের মতো প্রতিনিধিত্ব করেন। এমনকি তিনি মিস বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
Advertisement
জেএস/