রাজধানীতে অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-২ এর আওতায় গত ২৪ ঘণ্টায় ১১টি থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মোট ৩৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
Advertisement
এর মধ্যে কোতোয়ালা থানা একজন, লালবাগ থানা দুজন, ডেমরা থানা একজন, সূত্রাপুর থানা একজন, মোহাম্মদপুর থানা একজন, খিলগাঁও থানা চারজন, হাজারীবাগ থানা তিনজন, বাড্ডা থানা একজন, যাত্রাবাড়ী থানা চারজন, শেরেবাংলা নগর থানা তিনজন ও শাহবাগ থানা পুলিশ ১৪ জনকে গ্রেফতার করেছে।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তালেবুর রহমান বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় অভিযান পরিচালনা করে ৩৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে কোতয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার হয়েছেন সাব্বির হোসেন (২৪) নামের এক তরুণ।
Advertisement
লালবাগ থানার অভিযানে গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন—শাহীন বাপ্পী শামীম ওরফে সেলিম (২৫) ও আমির হোসেন (২৬)। ডেমরা থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে আক্তার হোসেন (৫৩) নামের একজনকে। সূত্রাপুর থানা পুলিশ মনা ব্যাপারীকে (২৭), মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ মো. হাফিজুল ইসলামকে (২৬) এবং খিলগাঁও থানা পুলিশ তাজবিন খান (৩২), শরিফুল ইসলাম (২৯), মো. ফারুক (৩৫) ও শরিফুল ইসলাম (৫৩) নামের চারজনকে গ্রেফতার করেছে।
হাজারীবাগ থানা পুলিশ সুফল চৌধুরী (৩৫), মো. মুন্না (২০) ও মেহেদী হাসানকে (৩০) গ্রেফতার করেছে। বাড্ডা থানার অভিযানে গ্রেফতার হয়েছেন মো. সাহেব আলী (২১) নামের একজন। যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ ইফতেখার রেজা (৪০), মামুন (৩০), রাজিব (২৬) ও শাওন ওরফে সেন্টু (২৮) নামের চারজনকে গ্রেফতার করেছে।
এ দিকে, শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ এ বি এম মাহমুদুল বসরি (৩০), মো. জয়নাল হাওলাদার (৬৩) ও মো. সেলিম (৩০) নামের তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। শাহবাগ থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন—মো. রমজান (১৯), কাউছার আহম্মেদ (৩৩), মো. আলম সরদার (৪২), মো. আইউব আলী (৩৩), মিজানুর রহমান (৩৮), মো. শাহদাত (২৪), এমসার ইউনুছ (৪০), মাইখেল চন্দ্র (২৮), আলী আহম্মেদ (২৬), ইয়াহিয়া ফেরদৌস হিটলার (৩০), লিমন (১৯), মো. করিম মিয়া (২৬), মো. দেলোয়ার হোসেন (৩৫) ও মো. রমজান আলী (২৪)।
গ্রেফতার ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।
Advertisement
কেআর/এমএমকে