রাজধানীর দিলু রোড এলাকায় অবস্থিত নিউ হরাইজন ক্রিসেন্ট ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিত বা ‘স্পোর্টস ডে’ অনুষ্ঠিত হয়েছে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি)। সকাল থেকেই ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের হাসি, করতালি ও উচ্ছ্বাসে স্কুল আঙ্গিনা মুখরিত হয়ে ওঠে। পরিকল্পিত ও শিশুবান্ধব বিভিন্ন আয়োজনে তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেয়।
Advertisement
রিলে রেস, ব্যালান্সিং রেস, বল নিক্ষেপ প্রতিযোগিতা ছাড়াও ছিলো ব্যাগ ভরার দৌড় এবং ‘ট্রেজার হান্ট’। ট্রেজার হান্ট ছিলো ব্যতিক্রমী আয়োজন, যে খেলা শিশুদের চিন্তাশক্তি ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বিকাশে সহায়তা করে।
স্কুলের অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতির অংশ হিসেবে প্রতিটি শিশুকেই দেওয়া হয় মেডেল ও সনদপত্র। যার মূল কথা- অংশগ্রহণই আসল সাফল্য।
এ বিষয়ে স্কুলের অধ্যক্ষ মারিয়াম নূর ইউনুস বলেন, ‘এত অল্প বয়সে কেনই বা বিজয়ী আলাদা করে চিহ্নিত করতে হবে? কেন শিশুদের এত দ্রুত প্রতিযোগিতার চাপে ফেলা হবে? অংশগ্রহণ করাটাই সাহস ও আত্মবিশ্বাসের পরিচয়। এখানে প্রতিটি শিশুই বিজয়ী।’
Advertisement
আরও পড়ুন:শিক্ষক সমিতির নির্বাচন স্থগিত, বর্তমান কমিটির মেয়াদ বাড়লো ১ বছরঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো শিক্ষার্থী গবেষণা সম্মেলন
শুধু শিক্ষার্থীরাই নয়, এই আনন্দঘন আয়োজনে যুক্ত হন অভিভাবক, শিক্ষক ও স্কুল স্টাফরা। শিক্ষকরা অংশ নেন ব্যালান্সিং রেসে, আর অভিভাবকরা খেলেন ‘হাঁড়ি ভাঙা’। সারা বছর ধরে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য যেসব অভিভাবক সামাজিক উদ্যোগে অংশ নেন, ‘কমিউনিটি হিরো’ তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় সম্মাননাপত্র।
শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও স্টাফরা মেডেল, সনদ, উপহার এবং আনন্দায়ক স্মৃতি নিয়ে ফেরেন যার যার বাসায়। নিউ হরাইজন ক্রিসেন্ট ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের স্পোর্টস ডে কেবল একটি অনুষ্ঠানই নয় বরং সত্যিকারের শিক্ষারই অংশ।
এমএমএফ/জেআইএম
Advertisement