অর্থনীতি

ইলিশের বাজার চড়া, কমেছে ব্রয়লার মুরগির দাম

বাজারে মানভেদে ১০ থেকে ২০ টাকা কমেছে ব্রয়লার মুরগির দাম। মানভেদে কমেছে সোনালি মুরগির দামও। পহেলা বৈশাখে পাতে ওঠা ইলিশ মাছের দাম আগের মতোই চড়া।

Advertisement

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

দোকানি ও ক্রেতারা জানান, গত শুক্রবার প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম ছিল ২০০ থেকে ২১০ টাকা। আজ বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে ১৮০-১৯০ টাকা। এছাড়া গত সপ্তাহে প্রতি কেজি সোনালি মুরগির দাম ছিল ৪২০ থেকে ৪৩০ টাকা। আজ তা বিক্রি হচ্ছে ৩৮০ টাকা থেকে ৪১০ টাকায়।

মিরপুর ১ নম্বর কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ী শাহাবুদ্দিন বলেন, সোনালি যেটা হাইব্রিড সেটার দাম কমেছে। প্রতি কেজি ৩৭০ থেকে ৩৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে ব্রয়লার মুরগির দামও কমেছে। আর ভালো মানের সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৪১০ টাকায়।

Advertisement

আনসার ক্যাম্প সংলগ্ন অস্থায়ী বাজারের মুরগি বিক্রেতা সাদিক হাসান বলেন, পাইকারিতে শনিবারের পর দাম একটু কম। মুরগির বাজারে কিছুটা অস্বস্তি ছিল, সেটা কাটতে শুরু করেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, ১ কেজি বেশি ওজনের ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৭০০ টাকা থেকে ৪ হাজার টাকায়।

৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম চাওয়া হচ্ছে ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকা। এর বাইরে ২০০ থেকে ২৫০ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা, আর ৩০০ থেকে ৪০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত। তবে ইলিশ মাছের দোকানে ক্রেতার উপস্থিতি ছিল কম। 

যদিও আজ পহেলা বৈশাখ। আর নববর্ষ মানেই যেন পান্তা-ইলিশের আয়োজন। বিক্রেতারা জানান, গতকাল সারাদিন ও রাতে ইলিশ ভালো বিক্রি হয়েছে। তবে সকালে বিক্রি কিছুটা কম।

Advertisement

পল্লবীর মুসলিম বাজারে কথা হয় ক্রেতা আলমগীর হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ইলিশ মাছের দাম বেশি। তবে নববর্ষ উপলক্ষে বাচ্চারা ইলিশ কেনার আবদার করে। আবার বাসায় অনেকেই আসে। সেজন্য দাম বেশি হলেও ছোট ৫০০-৭০০ গ্রামের ইলিশ খুজঁছি।

এদিকে ফার্মগেট, তালতলা, আগারগাঁও কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, আগের মতোই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে শাকসবজি। প্রতি কেজি পটল বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা। এছাড়া প্রতি কেজি ঢেঁড়স ৮০ টাকা, গোল বেগুন ৮০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা, ঝিঙা ৮০ টাকা, পেঁপে ৬০ টাকা এবং চিচিঙ্গা ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায়।

এসএম/এমএমএআর