ইরানে সমুদ্রবন্দরগুলোতে অবরোধ জোরদার হওয়ার পর দেশটি কি স্থলপথে তেল ও গ্যাস রপ্তানির বিকল্প ব্যবহার করতে পারবে—এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব বিকল্প সীমিত এবং বর্তমান রপ্তানি সক্ষমতার তুলনায় অনেক ছোট।
Advertisement
গত বছর ইরান প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৬.৮ লাখ ব্যারেল তেল সমুদ্রপথে রপ্তানি করেছে বলে জানায় তথ্য বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান কেপলার। এই রপ্তানি দেশটির অর্থনীতির জন্য বৈদেশিক আয়ের প্রধান উৎস।
ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের সিনিয়র ফেলো হাসান আলহাসান বলেন, ইরান চাইলে ইরাক, তুরস্ক ও আর্মেনিয়ার দিকে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস রপ্তানি বাড়াতে পারে এবং কাস্পিয়ান সাগরের নেকা টার্মিনাল দিয়ে কিছু তেল রপ্তানিও সম্ভব। তবে এসব বিকল্পের প্রভাব সীমিত।
তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থা আগেই জানিয়েছে যে বিকল্প রপ্তানি রুটগুলোর সক্ষমতা খুবই সীমিত।
Advertisement
দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো পুরনো ও দুর্বল হয়ে পড়েছে। তুরস্কে গ্যাস রপ্তানি চুক্তির তুলনায় কম হচ্ছে এবং আর্মেনিয়ার সঙ্গে বিদ্যুৎ বিনিময় চুক্তির আওতায় গ্যাস রপ্তানির পরিমাণও খুবই সামান্য।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ট্রেজারি কর্মকর্তা মিয়াদ মালেকি বলেন, যদি অবরোধ দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকে, তাহলে ইরানের অর্থনীতি মারাত্মক চাপের মুখে পড়বে।
সূত্র: আল-জাজিরা
এমএসএম
Advertisement