নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ২৬ রানে হেরে শুরুটা হতাশাজনক হয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশের। নিজেদের চেরচেনা কন্ডিশনে ঠিকঠাকভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারেনি বাংলাদেশ। অনভিজ্ঞ দল নিয়ে এসেও এই কন্ডিশনকে ভালোভাবে কাজে লাগিয়েছে সফরকারী নিউজিল্যান্ড। দ্বিতীয় ম্যাচেও প্রথম ম্যাচের পারফরম্যান্সের পুনরাবৃত্তি করতে চাইবে কিউইরা।
Advertisement
ব্যাটিংয়ে শুরুটা ভালোভাবে করতে তাদের ভরসা হেনরি নিকোলস, নিক কেলি, উইল ইয়াং ও টম ল্যাথামের টপ অর্ডারের ওপর। প্রথম ম্যাচে চাপের মধ্যে নিকোলস দারুণ এক হাফসেঞ্চুরি করেন, আর স্পিনের বিপক্ষে সাবলিল খেলছিলেন ইয়াংকে। এরপর ডিন ফক্সক্রফট ও লোয়ার অর্ডারের ব্যাটাররা দলকে প্রয়োজনীয় সংগ্রহ এনে দেন। মিরপুরের উইকেটে স্লগে শট খেলা অনেক কঠিন। সেখানে ফক্সক্রফট কিছু দৃষ্টিনন্দন শট খেলেছেন।
ব্ল্যাকক্যাপসদের বোলাররা বল হাতেও বেশ নিয়ন্ত্রিত ছিলেন। দারুণ সূচনা এনে দেন নাথান স্মিথ, টানা দুই বলে দুই উইকেট নিয়ে। এরপর মিডল ওভারে জেইডেন লেনক্স ও ব্লেয়ার টিকনার লাগাম টান দেন বাংলাদেশের রানের চাকায়। অধিনায়ক ল্যাথামও বোলারদের চমৎকারভাবে ব্যবহার করেছেন, বিশেষ করে যখনই বাংলাদেশ ম্যাচে ফিরে আসার আভাস দিয়েছে।
একদিকে স্বাগতিক বাংলাদেশের জন্য বড় চিন্তা ব্যাটিং। প্রথম ম্যাচে তানজিদ হাসান ও নাজমুল হোসেন শান্ত দ্রুত আউট হয়ে গেলে তৃতীয় উইকেটে সাইফ হাসান ও লিটন দাস ৯৩ রানের জুটি গড়েন। কিন্তু তারা শুরুটা বড় ইনিংসে রূপ দিতে পারেননি। যার খেসারত দিতে হয়েছে দলকে। এরপর তাওহিদ হৃদয় ও আফিফ হোসেন ১৩ ওভারেও গতি বাড়াতে পারেননি, ফলে রান তোলার গতি কমে যায়।
Advertisement
এর ফলে শেষের ব্যাটারদের ওপর অল্প সময়ের মধ্যে অনেক দায়িত্ব পড়ে যায়। পরবর্তী ধসটা তাই প্রায় অবশ্যম্ভাবীই ছিল। ধারণা করা হচ্ছে হচ্ছে গত ম্যাচে ধীরগতিতে খেলা আফিফ হোসেন বাদ পড়তে যাচ্ছেন। তার জায়গায় একাদশে ফিরতে পারেন সৌম্য সরকার। মোস্তাফিজুর রহমানের চোটে শেষ মুহূর্তে একাদশে সুযোগ পেয়ে দারুণ বোলিং করা শরিফুল আজ বাদ পড়ে যেতে পারেন মোস্তাফিজ ফিট হলে।
আরেকটি হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আশা করা হচ্ছে। নিউজিল্যান্ড কিছুটা এগিয়ে থাকলেও বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষমতা রাখে। এখনই সময় ব্যাটারদের নিজেদের সামর্থ্য দেখানোর।
আইএন
Advertisement