কুড়িগ্রামের রাজারহাটে তিস্তা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে বসতভিটা-আবাদি জমি হারানো পরিবারগুলোর ক্ষতিপূরণ এবং গ্রাম রক্ষায় জরুরি পদক্ষেপের দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।
Advertisement
শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে জেলা উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের উদ্যোগে তিস্তা নদীর তীরবর্তী পলাশপুর এলাকায় এ কর্মসূচি পালিত হয়।এতে ভাঙনকবলিত মানুষসহ পলাশপুর গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন অংশ নেন।
জেলা বিএনপির সিনিয়র আহ্বায়ক ও জেলা উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবুর সভাপতিত্বে এ সময় বক্তব্য দেন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাইয়েদ আহমেদ বাবু, সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ শাহ আলম, নাজিমখান ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক বাদশা বক্সী, সদস্যসচিব আতিকুর রহমান আতিক, অ্যাডভোকেট মোশাররফ হোসেন, ইউপি সদস্য নজরুল ইসলামসহ ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মোকসেদ আলী ও মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।
অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু বলেন, ২০১৬ সাল থেকে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কথা শোনা গেলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। তিনি উল্লেখ করেন, সিকিম থেকে উৎপন্ন হয়ে তিস্তা নদী বাংলাদেশে প্রবেশের পর নীলফামারী, রংপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার ওপর দিয়ে প্রায় ১১৫ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়ে শেষ পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্র নদের সঙ্গে মিলিত হয়েছে। তিস্তার দুই তীরে বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রায় দুই লাখ মানুষ বসবাস করেন। যারা প্রতিবছর ভাঙনের শিকার হচ্ছেন। এতে হাজার হাজার মানুষ বসতভিটা ও জীবিকা হারাচ্ছেন।
Advertisement
সমাবেশে বক্তারা বলেন, পলাশপুর গ্রামকে রক্ষায় দ্রুত কার্যকর নদীশাসন প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের বসতভিটা ও জমির ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে বলেও দাবি করেন তারা।
রোকনুজ্জামান মানু/কেএইচকে/এমএস