এই লিটন দাসই একবার ম্যাচের পর শামীম হোসেন পাটোয়ারীর সমালোচনা করেছিলেন। কিন্তু শামীমকে দল থেকে বাদ দেওয়ার পক্ষে তিনি কখনই ছিলেন না। এমনকি শামীমকে বাদ দেওয়ার পর নির্বাচকদের সঙ্গে এ নিয়ে কিছুটা শীতল সম্পর্কও তৈরি হয়েছিল বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অধিনায়কের।
Advertisement
শামীমের মতো ব্যাটারকে সবসময় তার দলে চান লিটন । শামীমও দলে ফিরে অধিনায়কের আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন। চট্টগ্রামে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের দাপুটে জয়ের অন্যতম নায়ক এই শামীম।
মাঝে একটি ম্যাচ বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়ে গেছে। আগামীকাল শনিবার ঢাকার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি তাই সিরিজ নির্ধারণী। ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে দলের প্রতিনিধি হয়ে আসেন শামীম হোসেন পাটোয়ারী।
কথা প্রসঙ্গে শামীম বলছিলেন, অধিনায়ক লিটন দাস তার ওপর আস্থা রাখায় সেটা ভালো খেলতে কতটা সাহায্য করেছে। তিনি বলেন, ‘প্রথমে আমি লিটন ভাইকে অনেক অনেক থ্যাংকস দিব। সো একজন ক্যাপ্টেন হিসেবে যেটা দরকার ছিল উনি সেটা করেছে। আমাকে ব্যাক করাইছে। সো আমি ভালো খেলতে পেরেছি, এইটাই আসলে অনেক ভালো। ক্যাপ্টেনের ভালো লাগছে, আমারও ভালো লাগছে।’
Advertisement
শামীম ৬ বা ৭ নম্বরে যখন ব্যাটিংয়ে নামেন, তখন আসলে ভেবেচিন্তে ব্যাট করার সুযোগ থাকে না। নেমেই চার-ছক্কা হাঁকানোর চিন্তা করতে হয়। সেক্ষেত্রে সফল হওয়ার চেয়ে ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি থাকে। অধিনায়ক কি ওই ফ্রি খেলার স্বাধীনতাটা দেন?
শামীমের উত্তর, ‘হ্যাঁ, অবশ্যই। তাতো অবশ্যই। লিটন ভাই সবসময় ফ্রি খেলার জন্যই বলে সবসময়।’
লিটনের অধীনে টি-টোয়েন্টিতে নিয়মিতই ভালো করছে বাংলাদেশ। অধিনায়ককে কিভাবে রেট করবেন? তিনি ড্রেসিংরুমটা কিভাবে সামলান?
শামীম বলেন, ‘দেখেন আমরা লাস্ট টি-টোয়েন্টি অনেকগুলো সিরিজ উইন করতে পেরেছি। সো এটা আসলে আমাদের টিমের মধ্যে একটা ভালো একটা বন্ডিং তৈরি করেছে। আনফরচুনেটলি আমরা ওয়ার্ল্ড কাপটা মিস করে ফেলছি। এটা তো কিছু করার নাই। তাও আমরা অনেক ভালো প্রিপেয়ার্ড ছিলাম। ক্যাপ্টেনসি অবশ্যই ম্যাটার করে (দলের সাফল্যে)।’
Advertisement
এমএমআর