তথ্যপ্রযুক্তি

উইকিপিডিয়াকে টেক্কা দিতে আসছে ইলন মাস্কের গ্রকিপিডিয়া

গ্রকিপিডিয়া, নাম শুনেই অনেকে একে গ্রকের সঙ্গে মিলিয়ে ফেলছেন। বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি ইলন মাস্কের এআই চ্যাটবট হচ্ছে গ্রক। গ্রকিপিডিয়াও তার সংস্থা এক্সএআই-এর একটি ওয়েবসাইট হতে যাচ্ছে, যা টেক্কা দেবে বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় এনস্লাইকোপিডিয়া ওয়েবসাইট উইকিপিডিয়াকে।

Advertisement

উইকিপিডিয়া হচ্ছে একটি মুক্ত বিশ্বকোষ। যেখানে বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য নিবন্ধন করা হয়। এটি সম্মিলিতভাবে সম্পাদিত, বহুভাষিক, মুক্ত প্রবেশাধিকার, মুক্ত বিষয়বস্তু সংযুক্ত অনলাইন বিশ্বকোষ, যা উইকিপিডিয়ান বলে পরিচিত স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কর্তৃক লিখিত এবং রক্ষণাবেক্ষণকৃত। উইকিপিডিয়ায় বর্তমানে ৩৫৭টি ভাষা সংস্করণ রয়েছে; এর মধ্যে, ১৫টি ভাষার প্রতিটিতে এক মিলিয়নের বেশি নিবন্ধ রয়েছে।

এক্স হ্যান্ডেলে ইলন মাস্কের শেয়ার করা এক পোস্টে দাবি করা হয়েছে, গ্রকিপিডিয়া হতে চলেছে বিশ্বের বৃহত্তম নলেজ সোর্স। এর ব্যবহারে কোনো সীমাবদ্ধ থাকবে না। অর্থাৎ উইকিপিডিয়ার মতো সব সময় তা ব্যবহার করা যাবে। মানুষ এবং এআই উভয়ের জন্যই এই নলেজ সোর্স কার্যকর হবে।

গ্রকিপিডিয়াকে নির্ভুলভাবে গড়ে তুলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে গ্রক এআই। বিভিন্ন সোর্স থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করবে গ্রক এআই। এর পাশাপাশি ভুল তথ্য বাছাইয়ের কাজেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেমে এক্সএআইয়ের এই চ্যাটবক্স।

Advertisement

অর্থাৎ গ্রকিপিডিয়া ফ্যাক্টচেকের কাজেও ভূমিকা পালন করবে বলে দাবি করা হয়েছে ওই পোস্টে। যদিও মাস্ক বা গ্রকের পক্ষ থেকে এসব ব্যাপারে অফিসিয়াল কিছু এখনো ঘোষণা করা হয়নি। তবে গ্রকিপিডিয়ার বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টে লেখা হয়েছে, ‘কেবল সত্যির জন্যই তৈরি হয়েছে।’ এর পাশাপাশি যে কোনো বিষয়ে যে কোনো রকমের পক্ষপাত থেকে গ্রকিপিডিয়া মুক্ত থাকবে বলে দাবি করা হয়েছে।

ইলন মাস্ক অতীতে একাধিক অভিযোগ এনেছিলেন উইকিপিডিয়ার বিরুদ্ধে। বিশেষ করে নন-প্রফিট অর্গানাইজেশনের ফান্ডিং এবং বাম মনোভাবাপন্ন দৃষ্টিভঙ্গির সমালোচনা করেছিলেন। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ বিশেষ করে কম বয়সীদের মনোভাব ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়ে বলে অভিযোগ ছিল মাস্কের। এবার তাই উইকিপিডিয়ার ধাঁচে প্ল্যাটফর্ম তৈরির উদ্যোগ নিয়েছেন মাস্ক। যেখান থেকে সবাই সঠিক তথ্য পেতে পারে।

আরও পড়ুনসোশ্যাল মিডিয়া নজর রাখছে আপনার ব্যক্তিগত জীবনেও পানি ছাড়াও যেসব কারণে স্মার্টফোন নষ্ট হতে পারে 

সূত্র: লাইভ মিন্ট

Advertisement

কেএসকে/জিকেএস