রাজশাহীর বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে অধিকাংশ শীতকালীন সবজির দাম বেড়েছে। গত কয়েকদিনের টানা শৈত্যপ্রবাহের কারণে সরবরাহ কমে যাওয়ায় সবজির দাম কেজিতে ৫ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। তবে সবজির বাজারে উত্তাপ ছড়ালেও বড় ধরনের স্বস্তি ফিরেছে পেঁয়াজের দামে।
Advertisement
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাজশাহী শহরের সাহেব বাজারসহ কয়েকটি প্রধান বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সব ধরনের শীতকালীন সবজির দাম গত সপ্তাহের তুলনায় বেড়েছে। গত সপ্তাহের চেয়ে এই সপ্তাহে কেজি প্রতি বেড়েছে ৫ থেকে ১৫ টাকা। দাম বেড়ে বাজারে প্রতি কেজি ডায়মন্ড আলু ২০-২৫ টাকা, লাল ও হল্যান্ড আলু ২৫-৩০ টাকা এবং নতুন আলু ৩০-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি স্বস্তি ফিরেছে পেঁয়াজের দামে। গত সপ্তাহে ৬০-৭০ টাকা দরে বিক্রি হওয়া পেঁয়াজ এ সপ্তাহে ৫০-৬০ টাকায় নেমে এসেছে।
পেঁয়াজ ব্যবসায়ী আজমত আলী বলেন, বাজারে দেশি পেঁয়াজের সরবরাহ বেড়েছে। আমদানি ও দেশি পেঁয়াজ একসঙ্গে বাজারে আসায় দাম কমেছে।
Advertisement
এছাড়া বেগুন ও শিম ৬০-৭০ টাকা, টমেটো ৬০-৭০ টাকা, ফুলকপি ৪০-৫০ টাকা এবং মুলা ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সরবরাহ বাড়ায় শাকের আঁটিও মিলছে ১০-২০ টাকার মধ্যে।
সাহেব বাজারের বিক্রেতা মুনিরুল ইসলাম জানান, গত কয়েকদিন ধরে ঠান্ডার কারণে অনেকেই সবজি সংগ্রহ করেনি। ফলে সরবরাহ কমেছে, তাই দাম বেড়েছে। তবে দিনে দিনে সরবরাহ বাড়ছে, সামনে দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে মাছ, মাংস ও নিত্যপণ্য এবং ডিমের দাম আগের মতই রয়েছে। বর্তমানে সাদা ডিমের হালি ৪২-৪৫ টাকা এবং লাল ডিমের হালি ৪৫-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও রুই ৩৮০-৪২০ টাকা, পাঙাশ ২৫০ টাকা এবং দেশি পাবদা ৪৫০-৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাংসের বাজারে ব্রয়লার মুরগি ১৮০-২০০ টাকা এবং সোনালি ২৫০-২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
চালের বাজারে সরু চাল ৮০-৮৫ টাকা ও মোটা চাল ৬০-৬৫ টাকার মধ্যে স্থিতিশীল রয়েছে। তবে সরিষার তেলের দাম লিটারে ২০০ টাকায় পৌঁছেছে এবং প্যাকেটজাত সয়াবিন তেল ১৮০-১৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চিনি ও ডালের দাম আগের মতোই চড়া রয়েছে।
Advertisement
সাখাওয়াত হোসেন/কেএইচকে/এএসএম