লাইফস্টাইল

রক্তে শর্করা ও ব্যথা নিয়ন্ত্রণে ধনিয়া পাতার জাদু

শীতের সবজির স্বাদ বাড়াতে রান্নায় যে সবুজ পাতার ব্যবহার অনস্বীকার্য, তার মধ্যে ধনিয়া পাতার স্থান আলাদা। শুধু খাবারের স্বাদই নয়, ধনিয়া পাতা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যও অমূল্য।

Advertisement

গবেষণায় দেখা গেছে, ধনিয়া পাতা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে এবং শরীরের ব্যথা ও প্রদাহ কমাতেও কার্যকর। প্রতিদিন সামান্য ধনিয়া পাতার ব্যবহারেই আমরা স্বাদ আর স্বাস্থ্যের মধ্যে সুন্দর একটা সমন্বয় তৈরি করতে পারি। চলুন জেনে নেই, কীভাবে এই ছোট্ট সবুজ পাতা আমাদের শরীরকে রাখে সুস্থ ও সতেজ।

প্রতি ৪ গ্রাম ধনিয়া পাতায় রয়েছে ০.৯২ ক্যালোরি, ০.১৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ০.১১ গ্রাম ফাইবার, ০.০৪ গ্রাম চিনি, ০.০৯ গ্রাম প্রোটিন। এছাড়াও ধনিয়া পাতায় রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, ফোলেট, ম্যাঙ্গানিজ এবং পটাসিয়াম। ধনিয়ায় থাকা ফ্ল্যাভোনয়েড এবং ক্যারোটিনয়েডের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

Advertisement

আরও পড়ুন:  শীতের সবুজ সঙ্গী মটরশুঁটি, জানুন ৫ স্বাস্থ্যগুণ শীতে প্রস্রাবের চাপ, লুকিয়ে থাকতে পারে কিডনির সংকেত শীতে ঠান্ডা পানি স্বাস্থ্যকর নাকি শুধু স্বস্তির অনুভূতি ধনিয়া পাতার প্রধান স্বাস্থ্য উপকারিতা

রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক: ধনিয়া পাতার নির্দিষ্ট কিছু এনজাইম রক্তে শর্করা কমাতে সাহায্য করতে পারে। যদিও এটি নিশ্চিত করার জন্য মানুষের ওপর আরও গবেষণার প্রয়োজন।

মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের উন্নতি: ধনিয়া পাতায় লুটিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা মস্তিষ্কের প্রদাহ কমাতে সহায়ক হতে পারে। প্রদাহ কমলে আলঝাইমার ও পার্কিনসন রোগের ঝুঁকি হ্রাস পেতে পারে। তবে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের সঙ্গে ধনিয়া পাতার সরাসরি প্রভাব বোঝার জন্য আরও গবেষণা প্রয়োজন।

খাদ্যবাহিত অসুস্থতা প্রতিরোধে সহায়ক: ধনিয়া পাতায় থাকা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল যৌগ ডোডেকানাল সালমোনেলা ধরনের খাদ্যবাহিত সংক্রমণের বিরুদ্ধে শরীরকে রক্ষা করতে সাহায্য করতে পারে। তবে এটি এখনো তত্ত্বের পর্যায়ে এবং আরও গবেষণার প্রয়োজন।

Advertisement

ব্যথা ও প্রদাহ কমায়: ধনিয়া পাতায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ব্যথা ও প্রদাহ কমাতে সাহায্য করতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, ধনিয়া পাতার সিরাপ মাইগ্রেনের ব্যথা উপশম করতে সক্ষম। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফ্রি র‍্যাডিকেলের ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে প্রদাহ হ্রাস করে।

তথ্যসূত্র: হেলথ লাইন

জেএস/