জাতীয়

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার উত্তরাধিকার হওয়া গভীর দায়িত্বের বিষয়

আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেছেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার ও সংগ্রামের পতাকা আজ তারেক রহমানের হাতে ন্যস্ত হয়েছে। এটি যেমন গর্বের বিষয়, তেমনি এক গভীর দায়িত্ব ও চ্যালেঞ্জেরও বিষয়।’

Advertisement

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাজধানীর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত নাগরিক শোকসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির নতুন চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রসঙ্গে মাহমুদুর রহমান আরও বলেন, খালেদা জিয়া ও জিয়াউর রহমানের সন্তান হওয়া নিঃসন্দেহে গর্বের। কিন্তু একই সঙ্গে এটি ভয় ও শঙ্কার বিষয়ও। কারণ বাংলাদেশের মানুষ সবসময় তারেক রহমানকে তার বাবা ও মায়ের সঙ্গে তুলনা করবে। এই তুলনা অত্যন্ত কঠিন- যে কোনো মানুষের জন্যই।

আমার দেশ সম্পাদক বলেন, বাংলাদেশের গত ৫৫ বছরের ইতিহাসে মাত্র দুজন নেতা-নেত্রী জন্মেছেন, যাদের সমতুল্য হওয়া কঠিন। আর তারা যদি বাবা-মা হন, তাহলে সেই সন্তানদের জন্য দায়িত্ব আরও অনেক বেশি কঠিন হয়ে ওঠে।

Advertisement

আরও পড়ুনখালেদা জিয়া মানুষ ও দেশের নেত্রী হয়ে উঠেছিলেন: নূরুল কবীরসাংবাদিক হিসেবে আমার মন জয় করে নিয়েছেন খালেদা জিয়া: মাহফুজ আনাম

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার পঙ্ক্তি উদ্ধৃত করে মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘তোমার পতাকা যারে দাও তারে বহিবারে দাও শকতি।’ আজ শহীদ জিয়া ও বেগম জিয়ার সেই অবিস্মরণীয় পতাকা, সেই শক্তি ও স্বাধীনতার পতাকা তারেক রহমানের হাতে ন্যস্ত হয়েছে।

তিনি মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা জানিয়ে বলেন, আল্লাহ যেন তারেক রহমানকে এই ঐতিহাসিক পতাকা বহন করার শক্তি ও সামর্থ্য দান করেন।

মাহমুদুর রহমান বলেন, জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়া বাংলাদেশের শত বছরের ইতিহাসে একমাত্র স্বামী-স্ত্রী, যারা সারাজীবন জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করেছেন। তারা যে জনপ্রিয়তা নিয়ে রাজনীতিতে প্রবেশ করেছিলেন, সেই একই জনপ্রিয়তা নিয়েই আল্লাহর কাছে ফিরে গেছেন।

Advertisement

তিনি আরও যোগ করেন, ‘বিশ্বের রাজনৈতিক ইতিহাসে একই পরিবার থেকে স্বামী ও স্ত্রী- দুজনই পুরো জাতির সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা হিসেবে দীর্ঘ সময় অবস্থান করেছেন, এরকম উদাহরণ পৃথিবীতে নেই। এটি একটি সম্পূর্ণ ইউনিক ঘটনা, যা আমাদের মনে রাখা দরকার।’

কেএইচ/একিউএফ/এমএস