বল থ্রো হলো, তবে সেটা মোহাম্মদ মিঠুনের হাতে আসার আগেই স্টাম্পের বেল একটা পড়ে গেলো গ্লাভসে লেগেই। তবু নাঈম শেখকে রান আউট দিলেন তৃতীয় আম্পায়ার। এটা নিয়ে নাঈমও অনফিল্ড আম্পায়ারের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথা বললেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। তবে ক্রিকেটের আইন অনুযায়ী এটা আউট।
Advertisement
ঘটনা রোববার বিপিএলে লিগ পর্বের শেষ ম্যাচের। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ঢাকা ক্যাপিটালসের ১৭০ রান তাড়া করছিল চট্টগ্রাম রয়্যালস। অষ্টম ওভারের চতুর্থ বলে সিঙ্গেল নিয়ে ডাবল নেওয়ার জন্য দৌড় দেন চট্টগ্রামের ওপেনার নাঈম শেখ। কিন্তু হাসান নাওয়াজ না করলে নাঈম ফেরার জন্য আবার দৌড় দেন।
তবে মিড উইকেট থেকে মারুফ মৃধার করা থ্রো ধরে তার আগেই উইকেট ভেঙে দেন ঢাকা অধিনায়ক মিঠুন। কিন্তু বল ধরে উইকেট ভাঙার আগে মিঠুনের গ্লাভস লেগেই একটা বেল পড়ে যায়। ঢাকার ফিল্ডাররা এটাকে নিশ্চিত নট আউট ভেবে মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়েন! নাঈমকেও বেশ আত্মবিশ্বাসী দেখাচ্ছিল, তিনিও ভেবেছিলেন এটা আউট দেবেন না আম্পায়ার।
তবু তৃতীয় আম্পায়ার কিছুক্ষণ সময় নিয়ে এটিকে আউট ঘোষনা দেন। তখন শুরু হয় নানা কৌতূহল। নাঈম নিজেও অনফিল্ড আম্পায়ারের সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলেন। তবে ধারাভাষ্য কক্ষ থেকে ওয়াকার ইউনুস ঠিকই এটিকে সঠিক সিদ্ধান্ত বলেন। এরপর শুরু হয় রুলস খোঁজা। খুঁজতে গিয়ে দেখা যায়, আইসিসির রান আউটের আইনে ২৯ নম্বর ধারার ৩ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এটি আসলেই আউট।
Advertisement
আইনে লেখা আছে, ‘যদি উইকেটের একটা বেল আগে থেকেই পড়ে যায়, তাহলে আউট করার জন্য আর দুইটা বেল ফেলতে হবে না। ওই অবস্থায় বাকি বেলটা ফেলে দিলেই, অথবা দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তিনটা স্টাম্পের যেকোনো একটা মাটি থেকে তুলে ফেললেই উইকেট ভাঙা ধরা হবে।’
এক্ষেত্রে বল আসার আগে মিঠুনের গ্লাভসে লেগে বেল একটা পড়ে গেলেও আরেকটা নিখুত অবস্থায় ছিল। ফলে নাঈম ঢোকার আগে বল ধরেই মিঠুন উইকেট ভেঙে দেওয়াতেই আম্পায়ার আউট দিয়েছেন।
এসকেডি/আইএইচএস/
Advertisement