শিবিরকে ‘গুপ্ত সংগঠন’ আখ্যা দিয়ে ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেছেন, ‘গুপ্ত সংগঠন এ টিম, বি টিম, সি টিমের খেলা খেলছে। যতই খেলা খেলেন আপনারা আর মব করতে পারবেন না। আপনাদের সেই সাংগঠনিক ক্ষমতা নেই।’
Advertisement
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সামনে আয়োজিত ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচিতে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
পোস্টাল ব্যালটে পক্ষপাতের অভিযোগসহ তিনটি ইস্যুতে সোমবার দ্বিতীয় দিনের মতো নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রধান কার্যালয় ঘেরাওয়ের কর্মসূচি পালন করেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
শিবিরকে উদ্দেশ্য করে রাকিব বলেন, ‘শিবিরের এ টিমের এক ধরনের কাজ, বি টিমের এক ধরনের কাজ এবং সি টিমের এক ধরনের কাজ। তারা অনলাইনে নিরপেক্ষ ও সাধু সেজে গালিগালাজ করেন। নামে-বেনামে ছাত্রদলকে প্রতিদিন ঘায়েল করাই তাদের কাজ। ডাকসুতে দেখেছি তাদের এ টিম, বি টিম ও সি টিমের প্রকাশ্যে সংখ্যা ৪০ থেকে ৫০ জন। বি টিম যারা আছে তারা সুশীল সাজবে ক্ষেত্রবিশেষে নিরপেক্ষ সাজবে। তারা ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলবেন, সিগারেট কোম্পানির স্পন্সর নিয়ে কনসার্টও করবেন।’
Advertisement
তিনি আরও বলেন, ‘সি টিমে যারা আছেন তারা সুশীল সেজে অনলাইনে সারাদিন গালিগালাজ করবেন। তবে তাদের সংখ্যা খুব বেশি না। কাজ যখন শেষ হবে তখন এ টিম, বি টিম, সি টিম আলাদা হবে। শিবিরের এ টিমে যারা রয়েছেন তারা মুখোশধারী শয়তান। তারা ভদ্র মানুষ সেজে কথা বলেন। দেখে মনে হবে তারা কখনো মিথ্যা কথা বলতে পারেন না। তাদের দেখে মনে হবে এরা জীবনে কখনোই সোশ্যাল মিডিয়ায় বাজে মন্তব্য করে না। এই সুশীলদের মোবাইল চেক করলে দেখা যাবে তারা ৫ থেকে ৬টি বট আইডির মালিক। তাদের আলাদা আলাদা পেজও আছে। এসব পরীক্ষা দিয়েই ওই ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্বস্থানে যেতে হয় এটা আমি জানি।’
তিনি বলেন, অভিজ্ঞতা থেকে বললাম। প্রপোগাণ্ডাময় রাজনীতির পরীক্ষা দিয়েই সেখানে যেতে হয়। কীভাবে চরিত্রহরণ করতে হয় এই ট্রেনিংয়ে যারা ট্রেনার তারা নেতৃত্ব পান। তারা যদি কোনো ইসলামিক অনুষ্ঠানে যান হয়ত ১০০ জন উপস্থিতি হন তাদের মধ্যে কাউকে যদি বলেন ভাই আপনি কি ইসলামি ছাত্র শিবিরের সঙ্গে জড়িত। তখন তিনি বলবেন কেন আমাকে ইসলামি ছাত্র শিবিরের ট্যাগ দিলেন। তিনি বলবেন আমি ছাত্রশিবির করি না। একটি ছাত্র সংগঠন তাকে পবিত্র দায়িত্ব দিয়েছে গালিগালাজ করার।’
এমওএস/এমআইএইচএস
Advertisement