জাতীয়

ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহার, ২ লাইটার জাহাজকে জরিমানা

অবৈধভাবে ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহার করায় দুটি লাইটার জাহাজে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জরিমানা করা হয়েছে।

Advertisement

নারায়ণগঞ্জের নৌ-পরিবহন অধিদপ্তর সোমবার (১৯ জানুয়ারি) মুন্সিগঞ্জের মুক্তারপুরে এ জরিমানা করে। অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, অভিযানে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে আগত গম, ভুট্টা, জিপসাম ও ফ্লাই অ্যাশ বহনকারী মোট ২৭টি লাইটার জাহাজ পরিদর্শন করা হয়। এসময় বিধি লঙ্ঘনের দায়ে এমভি সিদ্দিক আহমেদ-৩ এবং এমভি আরজে-১ নামের দুটি জাহাজকে মোট ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া, জাহাজে অপেক্ষমাণ মালামালের প্রাপক- নাবিল গ্রুপ, মদীনা গ্রুপ, এসএস ট্রেডিং, এন মোহাম্মদ, শবনম ও টিকে গ্রুপের প্রতিনিধিদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে মালামাল খালাস করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের ডেপুটি নটিক্যাল সার্ভেয়ার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এ এন এম রাকিব উল হাসানের তত্ত্বাবধানে এবং বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ও বাংলাদেশ নৌ-পুলিশের সহায়তায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোকসানা খাইরুন নেসা এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। অভিযানে নারায়ণগঞ্জের নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের একজন পরিদর্শক সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন।

Advertisement

একই দিনে খুলনার নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের উদ্যোগে নোয়াপাড়া নদীবন্দর এলাকাতেও পৃথক অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর থেকে আগত গম, ছোলা, সারসহ বিভিন্ন পণ্যবাহী প্রায় ১৯টি নৌযান এবং সাতটি বালুবাহী নৌযান পরিদর্শন করা হয়। যেসব নৌযানে ত্রুটি পাওয়া গেছে, সেগুলো দ্রুত সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়।

এছাড়া, বালুবাহী নৌযানকে লাইটারিং কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করা হয়। সেই সঙ্গে তিন থেকে পাঁচদিনের বেশি সময় ধরে অপেক্ষমাণ নৌযানগুলোর মালামাল দ্রুত খালাসের জন্য সংশ্লিষ্ট পণ্যের মালিক প্রতিনিধিদের তাগিদ দেওয়া হয়েছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায় নৌ-পরিবহন অধিদপ্তর।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, নৌপথের শৃঙ্খলা রক্ষা ও পণ্য পরিবহনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আরএমএম/একিউএফ

Advertisement