আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন তার সাবেক স্ত্রী রিয়া মনি। গেল বছরের ২৩ জুন রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় হত্যাচেষ্টা, মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে এই মামলা করেন তিনি। এরপর বাদীপক্ষের আইনজীবীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১২ নভেম্বর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াহিদুজ্জামানের আদালত হিরো আলমের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানার আদেশ দেন।
Advertisement
অবশেষে সেই মামলা থেকে স্থায়ী জামিন পেয়েছেন হিরো আলম। আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াহিদুজ্জামানের আদালত মামলার শুনানি শেষে এই জামিনের আদেশ দেন। হিরো আলম জাগো নিউজকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘অবশেষে আমি মামলাটি থেকে রেহাই পেয়েছি। মামলার সব অভিযোগই আসলে মিথ্যে ছিল। সব ভুলে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।’
রিয়া মনির সঙ্গে আবারও সংসার শুরু করবেন কি না সেই প্রশ্নের জবাবে হিরো আলম কোনো মন্তব্যই করতে চাননি।
Advertisement
এদিকে বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসন থেকে নির্বাচন করবেন বলে সব প্রস্তুতি নিয়েও শেষ মুহূর্তে সরে দাঁড়িয়েছেন হিরো আলম। তিনি ‘আমজনতা’ দল থেকে মনোনয়নপত্র নিয়েছিলেন।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময়ের মধ্যে জেলা প্রশাসক ও রিটানিং কর্মকর্তা ফরমটি গ্রহণ না করায় হিরো আলমের নির্বাচনে অংশ নেওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। তবে গত ১২ জানুয়ারি উচ্চ আদালতের আপিল বিভাগের রায়ে সেই অনিশ্চয়তা কেটেছে। তবে তিনি জানিয়েছেন, মনোনয়নপত্র জমা দেবেন না, নির্বাচনেও অংশ নেবেন না।
আক্ষেপ নিয়ে আশরাফুল আলম বলেন, ‘কিছু লোক আমাকে বলে যে, আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই। সেটা মাথায় রেখেই নির্বাচনে না দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সংসদ ভবনকে কোনোভাবেই কলুষিত করতে চাই না আমি। দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে, নির্বাচন করতে অনেক টাকা-পয়সা প্রয়োজন। আমার এখন আর এত টাকা-পয়সা নেই। এতদিন যা ছিল, সেগুলো দিয়ে করেছি। তবে নির্বাচন না করলেও আমি সাধারণ জনগণের পাশে থাকব।’
নির্বাচনে না দাঁড়ানোর তৃতীয় কারণ হিসেবে আলম দায়ী করছেন নির্বাচনের পরিবেশকে। তিনি বলেন, ‘হঠাৎ নির্বাচনের পরিবেশ কেন যেন ঠান্ডা হয়ে গেছে। কয়েকদিন আগেও গরম ছিল। আশা রাখছি নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। যারা নতুন ভোটার হয়েছেন, তারা অনেক বছর ভোট দিতে পারে না। এবার যাকে খুশি তাকে ভোট দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে তাদের, সেই প্রত্যাশা রাখছি।’
Advertisement
এলআইএ