আন্তর্জাতিক

কাশ্মীরে ‘হাউজ লিস্টিং অপারেশন’ চালাবে মোদী সরকার

ভারতের কেন্দ্রশাসিত জম্মু ও কাশ্মীরে হাউজ লিস্টিং অপারেশন (এইচএলও) শুরু করতে যাচ্ছে মোদী সরকার। এ জরিপ আগামী পহেলা জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত চলবে। মোদী সরকারের এমন জরিপ স্থানীয় মুসলিমদের মধ্যে নিরাপত্তার শঙ্কা তৈরি করেছে।

Advertisement

তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এ জরিপ জাতীয় জনগণনা ২০২৭-এর অংশ।

জরীপের এই কর্মসূচি নির্ধারণ করেছে ইউনিয়ন টেরিটরি লেভেল সেন্সাস কো-অর্ডিনেশন কমিটি। বুধবার (২১ জানুয়ারি) কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জরিপের প্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন ৩১ জানুয়ারির মধ্যে জারি করা হবে। স্ব-গণনার সুবিধার্থে টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট ও চার্জ অফিসারদের সেবা ব্যবহার করে জনসাধারণকে ১৫ দিনের আগেই নির্দেশনা দেওয়া হবে।

জম্মু–কাশ্মীর ও লাদাখের ডিরেক্টর সেন্সাস অপারেশনস এর প্রধান অমিত শর্মা জানিয়েছেন, জম্মু ও কাশ্মীরে এ বছরের গণনা হবে ভারতের প্রথম পূর্ণ ডিজিটাল সেন্সাস। প্রশিক্ষণ, স্ব-গণনা, হাউস লিস্টিং ও জনসংখ্যা গণনার কার্যক্রমের ধারা ও বিস্তারিত সময়সীমা এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

Advertisement

গৃহীত সিদ্ধান্ত কার্যকর ও বাস্তবায়নের গুরুত্ব তুলে ধরে, কমিটি সেন্সাস ২০২৭-এর জন্য দ্রুত মানবশক্তি নিয়োগ অনুমোদন করেছে। ডেপুটি কমিশনারদের জেলা লেভেল সেন্সাস সেল গঠন এবং সমন্বয়, প্রশিক্ষণ ও তত্ত্বাবধানের জন্য কর্মকর্তা মনোনয়ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে চলতি সপ্তাহে ‘মসজিদ-মাদরাসা প্রোফাইলিং’ শুরুর ঘোষণা দিয়েছে ভারত সরকার। এতে মসজিদের আদর্শিক মতবাদ, প্রতিষ্ঠার সাল, অর্থের উৎস, মাসিক ব্যয়, জমির মালিকানা এবং একসঙ্গে কতজন মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন-এমন নানা তথ্য চাওয়া হয়েছে।

চার পৃষ্ঠার ফরমে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খতিবদের ব্যক্তিগত তথ্য চাওয়া হয়েছে যার মধ্যে রয়েছে মোবাইল নম্বর, ইমেইল, পাসপোর্ট নম্বর, ব্যাংক হিসাব, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য। এমনকি আত্মীয়স্বজন বিদেশে থাকেন কি না সেসব বিষয়ও তথ্য দিতে বাধ্য করা হচ্ছে।

সূত্র: এনডিটিভি

Advertisement

কে এম