দ্বীপজেলা ভোলা থেকে দিনে ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস এলএনজি আকারে ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এলক্ষ্যে ‘ভোলার নন-পাইপ’ গ্যাসের মূল্য নির্ধারণে গণশুনানি চলছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি)।
Advertisement
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় রাজধানীর রমনায় বিইআরসির সম্মেলন কক্ষে এই শুনানি শুরু হয়।
ভোলা জেলায় আবিষ্কৃত ৩টি গ্যাস ক্ষেত্রের মধ্যে মধ্যে বর্তমানে শুধু শাহবাজপুর গ্যাস ক্ষেত্র থেকে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। এই গ্যাস ক্ষেত্রের দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা ১২০ মিলিয়ন ঘনফুট। স্থানীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ, শিল্প, আবাসিকসহ অন্যান্য শ্রেণিতে গ্যাসের প্রকৃত ব্যবহার ৯০ মিলিয়ন ঘনফুট। অবশিষ্ট সরবরাহযোগ্য উদ্বৃত্ত গ্যাস থাকছে ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট।
ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় তিতাস গ্যাস অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসির আওতাধীন শিল্প প্রতিষ্ঠান গ্যাস সংকটে ভুগছে। এজন্য সরকার শাহবাজপুর গ্যাস ক্ষেত্রের উদ্বৃত্ত গ্যাস নির্বাচিত উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এলএনজি আকারে নদীপথে পরিবহন করে শিল্প প্রতিষ্ঠানে সরবরাহের পরিকল্পনা নিয়েছে।
Advertisement
বিইআরসি শাহবাজপুরের এই গ্যাসের দাম প্রতি ঘনমিটার সর্বোচ্চ ঊর্ধ্বসীমা ৪৭ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করেছে। শুনানি শেষে ভোলার এই নন-পাইপ গ্যাসের মূল্য পুনঃনির্ধারণ করবে।
শুনানিতে বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদসহ সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সরকারের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ বিভাগ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা, ব্যবসায়ীসহ স্টোকহোল্ডাররা উপস্থিত আছেন।
এনএস/এসএনআর
Advertisement