প্রশাসনে ১১৮ জন যুগ্ম সচিবকে অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাতে পদোন্নতির আদেশ জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
Advertisement
অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া কর্মকর্তাকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে।
নির্বাচনের ১৬ দিন আগে এ পদোন্নতি দেওয়া হলো। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পদোন্নতির আদেশে উল্লিখিত কর্মস্থল থেকে কোনো কর্মকর্তার দপ্তর/ কর্মস্থল এরইমধ্যে পরিবর্তন হলে কর্মরত দপ্তরের নাম/ঠিকানা উল্লেখ করে তিনি যোগদানপত্র দাখিল করবেন।
Advertisement
আরও পড়ুন
বিদায়বেলায়ও ‘বিতর্কিত’ সিদ্ধান্ত প্রশাসনেএতে আরও বলা হয়, পরবর্তী সময়ে কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনো বিরূপ/ভিন্নরূপ তথ্য পাওয়া গেলে তার ক্ষেত্রে এই আদেশের প্রয়োজনীয় সংশোধন/বাতিল করার অধিকার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।
এছাড়া, অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাদের যোগদানপত্র সরাসরি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর বা অনলাইনে (email: sal@mopa.gov.bd) দাখিল করতে পারবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রশাসনে অতিরিক্ত সচিবের সংখ্যা হলো ৪০৩ জন। অতিরিক্ত সচিবের স্থায়ী পদের সংখ্যাও চার শতাধিক। অতিরিক্ত সচিবের সংখ্যা কম থাকায় একজন অতিরিক্ত সচিবকে বেশ কয়েকটি অনুবিভাগের দায়িত্ব সামলাতে হচ্ছিল।
Advertisement
মূলত বিসিএস ২০তম ব্যাচের কর্মকর্তাদের পদোন্নতির জন্য বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। তাদের সঙ্গে অতীতে বিভিন্ন ব্যাচের বঞ্চিত (লেফট আউট) কিছু কর্মকর্তাও অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি পেয়েছেন।
‘সরকারের উপসচিব, যুগ্মসচিব, অতিরিক্ত সচিব ও সচিব পদে পদোন্নতি বিধিমালা, ২০০২’-এ বলা হয়েছে, অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে ৭০ শতাংশ প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ও ৩০ শতাংশ অন্যান্য ক্যাডারের যুগ্ম সচিব পদে কর্মরতদের বিবেচনায় নিতে হবে।
বিধিমালা অনুযায়ী, মূল্যায়ন নম্বরের অন্তত ৮৫ নম্বর পেতে হবে। যুগ্ম সচিব পদে কমপক্ষে তিন বছর চাকরিসহ ২০ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা বা যুগ্ম সচিব পদে কমপক্ষে দুই বছরের চাকরিসহ ২২ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হন।
পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের তালিকা দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
আরএমএম/এএমএ