ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে এবং এখনও বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে। ভূমিধসে একটি পাহাড়ি গ্রাম ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। খবর এএফপির।
Advertisement
শনিবার পাসিরলাঙ্গু এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে ভূমিধসে কয়েক ডজন বাড়ি-ঘর মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং শত শত লোক বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন সংস্থার মুখপাত্র আব্দুল মুহারি জানিয়েছেন, মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যা পর্যন্ত ৩৪ জন নিহত ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া গেছে।
তিনি বলেন, শনাক্তকৃত মৃতদেহ দাফনের জন্য নিহতদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এখন পর্যন্ত ৩২ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে যে, প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়েও বেশি হতে পারে।
Advertisement
উদ্ধারকারীরা জাভা দ্বীপের পশ্চিম বান্দুং অঞ্চলের অস্থিতিশীল এলাকায় ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে তল্লাশি চালাচ্ছেন।
তবে খারাপ আবহাওয়ার কারণে আবারও ভূমিধসের আশঙ্কায় তারা সাবধানে পদক্ষেপ নিচ্ছেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মতে, এই দুর্যোগে ৫০টিরও বেশি ঘরবাড়ি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ৬৫০ জনেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
পশ্চিম জাভার গভর্নর দেদি মুলিয়াদি পাসিরলাঙ্গুর আশেপাশের বিস্তৃত অঞ্চলগুলো ধ্বংসের পেছনে ভূমিধসকে দায়ী করেছেন। এসব এলাকায় বেশিরভাগই শাকসবজি চাষ করা হতো। ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের স্থানান্তরিত করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি।
সরকার গত বছরের শেষের দিকে সুমাত্রা দ্বীপে বন্যা ও ভূমিধসে বনাঞ্চলের ক্ষয়ক্ষতির কথা উল্লেখ করেছে। সে বছর বন্যা ও ভূমিধসে প্রায় ১২০০ মানুষের মৃত্যু হয় এবং দুই লাখ ৪০ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
Advertisement
টিটিএন