ক্যাম্পাস

শেরপুরে জামায়াত নেতা হত্যার প্রতিবাদে জবিতে বিক্ষোভ

শেরপুর-৩ আসনে ইশতেহারের মঞ্চে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম খুনের ঘটনায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

Advertisement

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ক্যাম্পাসের মূল ফটকের সামনে থেকে মিছিল শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি পুরান ঢাকার তাঁতিবাজার ঘুরে বিশ্বজিৎ চত্বরের সামনে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

এসময় শিক্ষার্থীরা ‘তারেকের অনেক গুণ, হারার ভয়ে মানুষ খুন’, ‘নির্বাচনের প্রথম খুন, হারার ভয়ে মানুষ খুন’, ‘বিএনপির অনেক গুণ, হারার ভয়ে মানুষ খুন’, ‘তারেক জিয়ার সন্ত্রাসীরা হুঁশিয়ার সাবধান’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

সমাবেশে ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী শাহিন মিয়া বলেন, আমরা দেখেছি বাংলার আকাশে এক সন্ত্রাসী সংগঠনের পয়দা হয়েছে। এদের রুখতে হলে আমাদের একতাবদ্ধ হতে হবে। আমরা হুঁশিয়ারি করে বলতে চাই, আপনারা যে রাজনীতিতে আছেন তা থেকে সরে আসুন। নতুন রাজনীতি শুরু করুন। না হলে আপনারা প্রত্যাখিত হবেন।

Advertisement

ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী শেখ ফেরদৌস বলেন, এখনো সময় আছে জনগণের পালস বুঝে রাজনীতি করুন, অন্যথায় ছিটকে যাবেন। প্রশাসনকে বলতে চাই, যারা এর সঙ্গে জড়িত তাদের ব্যবস্থা নিন।

ইসলামের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী সোহাগ আহমেদ বলেন, আমরা দেখেছি শেরপুর উপজেলা জামায়াত সেক্রেটারিকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা দেখেছি আমাদের মা-বোনদের গায়ে হাত দেওয়া হয়েছে, নির্যাতন করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বলে এমন হচ্ছে। যে দলের নেতারা তৃণমূলকে কন্ট্রোল করতে পারে না তারা কিভাবে দেশ কন্ট্রোল করবে।

জকসুর শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ইব্রাহিম খলিল বলেন, শুধুমাত্র ভিন্নমতের কারণে একজন মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা মনে করেছিলাম ১২ ফ্রেব্রয়ারি নির্বাচন হবে কোনোপ্রকার রক্তপাত ছাড়া। কিন্তু তারা এ দেশে রক্তের রাজনীতি শুরু করেছে। তারা দেশে আওয়ামী লীগের রাজনীতি কায়েম করতে চায়। কিন্তু এ দেশের ছাত্ররা এই রাজনীতি তাদের করতে দেবে না। আমরা মনে করেছিলাম, তাদের নেতা তারেক রহমান দেশে এলে রাজনীতিতের পরিবর্তন হবে। কিন্তু আমরা আমরা তার উল্টোটা দেখতে পেলাম।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

Advertisement

এমএন