জাপানের নাগাও ন্যাচারাল ইনভায়রনমেন্টাল ফাউন্ডেশন (এনইএফ) স্কলারশিপ পেয়েছেন রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৯ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ২০২০–২১ সেশনের দশজন, ২০২১–২২ সেশনের সাতজন এবং ২০২২–২৩ সেশনের ১২ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন।
Advertisement
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সেমিনার কক্ষে আয়োজিত চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে স্কলারশিপপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে চেক তুলে দেওয়া হয়।
এনইএফ বাংলাদেশ কমিটির সদস্য ও হর্টিকালচার বিভাগের প্রফেসর ড. জাহিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দুল লতিফ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. বেলাল হোসেন, ট্রেজারার প্রফেসর আবুল বাশার, প্রক্টর প্রফেসর ড. আরফান আলী, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালক প্রফেসর ড. আশাবুল হকসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক ও স্কলারশিপপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
Advertisement
স্কলারশিপ পাওয়া এক শিক্ষার্থী বলেন, এ স্কলারশিপ আমার জন্য একটা বড় পাওয়া। এটা আমাদের পড়ালেখা ও ভবিষ্যতে বাইরের দেশে স্কলারশিপ পেতে সাহায্য করবে। আশা করি স্কলারশিপটা ধরে রাখতে পারবো।
উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. বেলাল হোসেন বলেন, স্কলারশিপের ক্ষেত্রে টাকার অঙ্ক বড় বিষয় নয়, বরং এর রেপুটেশনই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই রেপুটেশন ভবিষ্যতে আরও ভালো ও আন্তর্জাতিক মানের স্কলারশিপ অর্জনে সহায়ক হবে।
তিনি বলেন, জাপান ও যুক্তরাজ্যের কয়েকটি টিমের সঙ্গে এরই মধ্যে আলোচনা হয়েছে এবং এ বিষয়ে কাজ শুরু হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য ওয়ার্ল্ড ক্লাস গ্র্যাজুয়েট তৈরি করা, সেই লক্ষ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে যাচ্ছে।
উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দুল লতিফ বলেন, যেকোনো স্কলারশিপ বা ফেলোশিপ পাওয়া বড় অর্জন, যা শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করে। এটি একটি আন্তর্জাতিক ফেলোশিপ এবং মেধার ভিত্তিতেই শিক্ষার্থীরা এ স্কলারশিপ পেয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, স্কলারশিপ ধরে রাখার জন্য নির্ধারিত মানদণ্ডের চেয়েও ভালো ফলাফল করবে শিক্ষার্থীরা। সময় নষ্ট না করে নিজেদের দক্ষতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মাধ্যমেই শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় উন্নতির শিখরে পৌঁছাবে।
Advertisement
উল্লেখ্য, জাপানের এনইএফ বৃত্তি এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের (বাংলাদেশসহ) উদীয়মান গবেষক ও পরিবেশ বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, মৎস্য ও বনবিদ্যা বিষয়ে অধ্যয়নরত স্নাতক শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি।
এমডিএসএ/এমএএইচ/