রাফাহ ক্রসিং খুলে দেওয়া হয়েছে। প্রথম দিনেই গাজা থেকে কয়েক ডজন মানুষ মিশরে প্রবেশ করেছে বলে জানা গেছে। সীমান্তের একটি সূত্র বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছে, রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং সীমিত আকারে পুনরায় খোলার প্রথম দিনে সোমবার গাজা থেকে কয়েকজন আহত ফিলিস্তিনি এবং তাদের সঙ্গী মিশরে প্রবেশ করেছেন। খবর এএফপির।
Advertisement
মঙ্গলবার সূত্রটি জানিয়েছে, পাঁচজন আহত ফিলিস্তিনি এবং তাদের সাতজন সঙ্গী সীমান্ত অতিক্রম করেছেন। মিশরীয় সীমান্তের তিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সোমবার ক্রসিং দিয়ে মিশরে প্রবেশের অনুমতিপ্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা ৫০ জনে সীমাবদ্ধ ছিল। প্রত্যেকের সাথে দুজন সঙ্গী ছিলেন।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ১৮ মাসেরও বেশি সময় পর আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রসিংটির কার্যক্রম শুরু হয়। মিশরের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, প্রথম দিনে গাজা থেকে অন্তত ৫০ জন বেরিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে ও একই সংখ্যক মানুষ গাজায় প্রবেশ করবে। সোমবার আল-কাহেরা নিউজ জানায়, এরই মধ্যে ফিলিস্তিনিদের একটি দল রাফাহ ক্রসিংয়ে পৌঁছেছে।
এর আগে, রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) পরীক্ষামূলকভাবে রাফাহ ক্রসিংয়ের ফিলিস্তিনি অংশে কার্যক্রম শুরু হয়। ইসরায়েলি বিধিনিষেধের কারণে প্রায় ১৮ মাসের বেশি সময় ধরে ক্রসিংটি পুরোপুরি বন্ধ ছিল।
Advertisement
ইসরায়েলি গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, এ দফায় প্রায় ৫০ জন ফিলিস্তিনি গাজায় প্রবেশ করবেন। পাশাপাশি চিকিৎসার জন্য ১৫০ জন রোগী ও তাদের সঙ্গীরা গাজা ছেড়ে মিসরে যাবেন। গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ক্রসিংটি পুরোপুরি চালু হওয়ার অপেক্ষায় প্রায় ২২ হাজার রোগী রয়েছেন।
২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর ২০২৪ সালের মে মাস থেকে রাফাহ ক্রসিংয়ের ফিলিস্তিনি অংশের নিয়ন্ত্রণ নেয় ইসরায়েল। এরপর থেকেই কার্যত অচল হয়ে পড়ে গুরুত্বপূর্ণ এই সীমান্তপথ।
টিটিএন
Advertisement