জ্বর-ঠান্ডা-কাশি আমাদের খুব সাধারণ সমস্যা। হুটহাট দেখা দেয় এই সমস্যাগুলো। তবে এর জন্য চিকিৎসকের কাছে যান খুব কম মানুষ। অনেকেই ভরসা করেন ঘরোয়া নানা পদ্ধতির ওপর। শুধু কাশি নয়, ছোটখাটো স্বাস্থ্য সমস্যায় ঘরোয়া পদ্ধতি বেছে নিলে বারবার হাসপাতালে দৌড়াতে হয় না। তবে সচেতন থাকা জরুরি। কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন এবং কখন ঘরোয়া চিকিৎসা যথেষ্ট সে সম্পর্কে জানাও জরুরি। চলুন জেনে নেই কাশির সমস্যায় কীভাবে সহজভাবে ঘরোয়া উপায়ে উপশম পাওয়া যায়।
Advertisement
আদা শুধু রান্নার স্বাদই বাড়ায় না, শরীরের জন্যও অত্যন্ত উপকারী। বিশেষ করে কফ ও কাশি কমাতে আদা চা কার্যকর। এক কাপ গরম আদার চা কাশির সঙ্গে জমে থাকা কফও বের করতে সাহায্য করে। খুশখুশে কাশি বা গলা জ্বালা কমাতে প্রতিদিন এক কাপ আদার চা পান করুন।
মধুমধু প্রাকৃতিকভাবে গলা শান্ত করে এবং কাশি কমাতে সহায়ক। প্রতিদিন সকালে হালকা গরম পানিতে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে পান করুন। চাইলে চায়ে যোগ করতে পারেন বা সরাসরি এক চামচ মধু খাওয়াও যেতে পারে। শুধু কাশি নয়, হজমও ভালো রাখে মধু।
তুলসির পাতাতুলসি পাতা কাশির জন্য এক অন্যতম প্রাকৃতিক উপায়। পাতা চিবিয়ে খাওয়া বা রস করে গ্রহণ করলে জমে থাকা কফ সহজেই বের হয়। চাইলে চায়ে বা গরম পানিতে তুলসি পাতা মিশিয়ে খেতে পারেন। আবহাওয়া পরিবর্তনের সময়ে এটি কাশি নিয়ন্ত্রণে বিশেষভাবে সহায়ক।
Advertisement
গরম দুধে অল্প হলুদ মিশিয়ে খাওয়া। যাকে অনেকেই ‘গোল্ডেন মিল্ক’ বলে, কাশি কমাতে দারুণ কাজ করে। এক গ্লাস গরম দুধে আধা চা চামচ হলুদ মিশিয়ে রাতে ঘুমানোর আগে খেলে শরীর দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠে।
আরও পড়ুন: ফাইবার চাইলে বেছে নেবেন কোন ফল টানা ভাজাপোড়া খেলে শরীরে যেসব পরিবর্তন হতে পারে রোজায় চা-কফি ও সফট ড্রিংকস কতটা নিরাপদ?এই সহজ ও ঘরোয়া উপায়গুলো নিয়মিত অনুশীলন করলে আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় কাশি ও কফের সমস্যা অনেকাংশে কমানো সম্ভব। তবে যদি কাশি দীর্ঘস্থায়ী বা জটিল হয়, চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অবশ্যই জরুরি।
তথ্যসূত্র: ন্যাশনাল সেন্টার ফর কমপ্লিমেন্টারি অ্যান্ড ইনটিগ্রেটিভ হেলথ
জেএস/
Advertisement