দেশজুড়ে

মৌলভীবাজারের বিভিন্ন এলাকায় ১৬ ঘণ্টা লোডশেডিং

মৌলভীবাজারের বেশ কিছু এলাকায় টানা ১৬ ঘণ্টা ধরে বিদ্যুৎ না থাকায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাতে কালবৈশাখী ঝড়ের পর থেকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এসব এলাকা।

Advertisement

জানা যায়, বুধবার রাত সাড়ে ৯টায় জেলার কমলগঞ্জ, কুলাউড়া, রাজনগর উপজেলার বেশকিছু এলাকায় ঝড় হয়। তবে ঝড়ে কোথাও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া না গেলেও এর পর থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। প্রায় ১৬ থেকে ১৮ ঘণ্টা পর কোথাও বিদ্যুৎ এলেও কয়েক মিনিট পর আবার লোডশেডিং শুরু হয়। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন জেলার বিদ্যুৎ গ্রাহকরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জেলার কমলগঞ্জ উপজেলা পতনঊষার, শমশেরনগর, কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর, রাজনগর উপজেলার কামারচাক ইউনিয়নসহ বেশকিছু এলাকায় কালবৈশাখী ঝড় ও তীব্র লোডশেডিংয়ের কারণে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন অনেকে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ না থাকায় অনেক পরিবার পানির অভাবে রান্নাবান্না করতে পারছেন না। এসব এলাকায় ২০ মিনিট বিদ্যুৎ থাকলে ১-২ ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বলছে, জেলায় দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে ৫০ মেগাওয়াট। গ্রিড লাইন থেকে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিকে সরবরাহ করা হয় মাত্র ৪৫ শতাংশ। চাহিদার তুলনায় কম সরবরাহের কারণে লোডশেডিং বেড়ে গেছে।

Advertisement

মিজান আহমেদ, লিপন আহমেদ নামে রাজনগর উপজেলার কামারচাক ইউনিয়নের বাসিন্দা বলেন, বুধবার সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ নেই। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে বিদ্যুৎ এলেও ১০ মিনিট পর আবার চলে যায়। একদিকে তীব্র গরম অন্য দিকে লোডশেডিং সব মিলিয়ে কঠিন পরিস্থিতিতে আছি।

মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী সুজিত কুমার বিশ্বাস বলেন, কয়েকদিন ধরে লোডশেডিং কিছুটা বেড়েছে। আমরা চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ কম পাচ্ছি। মাত্র ৪৫ শতাংশ বিদ্যুৎ পাচ্ছি আমরা। কবে এই সমস্যার সমাধান হবে এ বিষয়ে এখন কিছু বলতে পারছি না।

এম ইসলাম/এমএন/এএসএম

Advertisement