বিশ্বায়নের এই যুগে একটি দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি অনেকাংশে নির্ভর করে তার ব্যবসায়িক পরিবেশ কতটা স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং নাগরিকবান্ধব তার ওপর। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আমাদের জন্য একটি কার্যকর, স্বচ্ছ ও নাগরিককেন্দ্রিক ব্যবসায়িক নীতিমালা এখন সময়ের দাবি। কেননা ব্যবসা শুধু মুনাফা অর্জনের মাধ্যম নয়, এটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। কিন্তু বাস্তবতা হলো, আমাদের দেশে ব্যবসা শুরু করা থেকে পরিচালনা পর্যন্ত নানা ধরনের জটিলতা, দুর্নীতি, অস্বচ্ছতা এবং অপ্রয়োজনীয় আমলাতান্ত্রিক বাধা ব্যবসায়ীদের জন্য বড় প্রতিবন্ধকতা। এই পরিস্থিতিতে একটি নতুন নাগরিকবান্ধব ব্যবসায়িক নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।
Advertisement
প্রশ্ন হলো, কেন এই ব্যবসায়িক নীতিমালা প্রয়োজন? উত্তরে বলব প্রথমত, বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা সবসময় এমন একটি পরিবেশ খোঁজেন যেখানে নিয়ম-কানুন স্পষ্ট, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সহজ এবং দুর্নীতির ঝুঁকি কম। যদিও ব্যবসা শুরু করতে ঘুষ দিতে হয়, লাইসেন্স পেতে মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হয়, তাহলে বিনিয়োগকারীরা অন্য দেশে চলে যাবে- এটাই স্বাভাবিক। দ্বিতীয়ত, নাগরিকদের স্বার্থ রক্ষা। ব্যবসা যদি নিয়ন্ত্রণহীন হয়, তাহলে ভোক্তারা প্রতারণার শিকার হন, নকল পণ্য বাজারে ছড়িয়ে পড়ে এবং সেবার মান কমে যায়। একটি স্বচ্ছ নীতিমালা ব্যবসায়ী ও ভোক্তার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখে। তৃতীয়ত, টেকসই উন্নয়নের জন্য। ব্যবসা যদি পরিবেশ ধ্বংস করে, শ্রমিকদের অধিকার লঙ্ঘন করে, তাহলে তা দীর্ঘমেয়াদে দেশের জন্য ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায়। তাই ব্যবসায়িক নীতিমালায় সামাজিক ও পরিবেশগত দায়বদ্ধতাও অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।
মনে রাখতে হবে, এ মুহূর্তে দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি জনসম্পদ। জাতিসংঘের সর্বশেষ ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য বলছে, চলতি বছর শেষে দেশের জনসংখ্যা ১৭ কোটি ৭৮ লাখ ১৮ হাজারের আশপাশে পৌঁছবে। বর্তমানে জনসংখ্যার নিরিখে বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম। বিশ্বব্যাংকের ২০২৪-২৫ সালের সর্বশেষ তথ্য ও প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, দেশে ১৫-৬৪ বছর বয়সী কর্মক্ষম জনসংখ্যা ৬৩ দশমিক ১ শতাংশ।
আমি মনে করি, এ পরিসংখ্যান দেশের অর্থনৈতিক সুবিধা আদায়ের একটি বড় সুযোগ। যে কারণে এ সম্পদের পরিপূর্ণ ও দক্ষ ব্যবস্থাপনা এখন রাষ্ট্রের অন্যতম দায়বদ্ধতা। অন্তত ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সম্ভাবনা বিচার করলে এটাই স্পষ্ট হয়। কিন্তু দেশের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা শ্রমবাজারে পর্যাপ্ত দক্ষ কর্মীর জোগান দিতে পারছে না। বিআইডিএসের পরিসংখ্যান বলছে, দেশের ২৮-৩৪ শতাংশ স্নাতকসম্পন্ন শিক্ষার্থী বেকার। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পাস করা শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এ হার ২৮ শতাংশ এবং প্রথম শ্রেণিপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রেও প্রায় ৩৪ শতাংশ। শ্রমবাজার যেমন : দক্ষতা, সৃজনশীলতা ও কর্মপদ্ধতিসম্পন্ন কর্মী দাবি করছে, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কারিকুলামে সেগুলো এখনও অন্তর্ভুক্ত হয়নি।
Advertisement
এসব সমস্যার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নগরায়ণের ধাক্কাও। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এবং বিশ্বব্যাংকের দারিদ্র্য মূল্যায়ন প্রতিবেদনে দেখা যায়, গ্রামে দারিদ্র্য কমলেও শহরে সে হারে কমছে না। সেখানে শহরের অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত শ্রমজীবীদের জীবনযাত্রাকে ‘মানবেতর’ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। সম্প্রতি বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বাংলাদেশে চলতি বছরে প্রায় ১২ লাখ গরিব বৃদ্ধির শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। ২০২২ সালে বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার ছিল ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ। ২০২৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক ৪ শতাংশ। জানা গেছে, প্রতি চারজনের পরিবারে অন্তত একজন হয় বেকার অথবা অনিয়মিত দিনমজুর হিসেবে কাজ করছেন। অর্থাৎ বিপুল জনশক্তিকে বহুমুখী অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমাদের সীমাবদ্ধতা রয়ে গেছে। যদি এখনই জনসম্পদকে সঠিকভাবে ব্যবহার না করা যায় তাহলে ভবিষ্যতে সামাজিক ও অর্থনৈতিক বহু চাপ তৈরি হবে।
এদিকে ব্যাংক খাত অনেকটা লাইফ সাপোর্টে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের শেষদিন পর্যন্ত দেশের খেলাপি ঋণের চিত্র ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৮৩১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। বেনামে ঋণ নিয়ে অনেক প্রতিষ্ঠান অর্থ লোপাট করেছে। এজন্য ব্যাংকগুলোয় তারল্য সংকট প্রবল। বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ স্থবির এবং এ মুহূর্তে ডলার সংকট থাকায় অনেক পণ্যই আমদানি করা যাচ্ছে না। অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান, যাদের রাজনৈতিক ক্ষমতা বা প্রভাব রয়েছে তারাই বাজারে আধিপত্য ধরে রেখেছে। বাজারের মূল নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে। বিশেষ ঋণ, করছাড় কিংবা ব্যবসায়িক পারমিট- এগুলো তারা সহজেই পান। অথচ দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড এসএমই খাত (৩০ শতাংশ অবদান) এখন টিকে থাকার লড়াই করছে। মূল্যস্ফীতি আর আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় অনেক উদ্যোগ মুখ থুবড়ে পড়ছে। অথচ এসব উদ্যোগকে পুঁজি আর নীতিসহায়তা দিলে অর্থনৈতিক দক্ষতা অনেক বাড়ানো সম্ভব।
দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও সাধারণ মানুষের জীবনযাপনে যে ভিন্নতা দৃশ্যমান নতুন সরকার তা উপলব্ধি করেছেন। বিগত সময়ে লুটপাটের কারণে বর্তমান সরকারের সামনে দেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি অর্থাৎ ব্যাংক খাত, রাজস্ব আয় এমনকি বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ ব্যবস্থা কার্যত ভঙ্গুর। সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে এই সত্যটি স্বীকার করেছেন। তাই জরুরি ভিত্তিতে উল্লিখিত পদক্ষেপগুলো নিলে অর্থনৈতিক বিপর্যয় এড়ানো সহজ হবে। আমি মনে করি, সময় এখনই। সিদ্ধান্ত নিতে হবে এখনই। কারণ একটি সঠিক নীতিমালা আজকের সমস্যার সমাধানই শুধু নয়, ভবিষ্যতের সম্ভাবনাকেও উন্মুক্ত করে দেয়।
দেশের অর্থ-ব্যবসা খাতের বর্তমান সমস্যার চিত্র এটি। আসলে আমাদের ব্যবসায়িক খাতের অন্যতম বড় সমস্যা হলো অস্বচ্ছতা। অনেক ক্ষেত্রে নিয়ম থাকলেও তার প্রয়োগ নেই, আবার কোথাও কোথাও নিয়ম এত জটিল যে তা অনুসরণ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। ফলে তৈরি হয় ‘অঘোষিত নিয়ম’, যা মূলত দুর্নীতির পথ খুলে দেয়। আরেকটি বড় সমস্যা হলো হয়রানি। ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তারা বিভিন্ন দপ্তরের হয়রানির শিকার হন। লাইসেন্স, ট্যাক্স, ভ্যাট, পরিবেশ ছাড়পত্র- প্রতিটি ক্ষেত্রেই আলাদা আলাদা জটিলতা রয়েছে। এতে নতুন উদ্যোক্তারা নিরুৎসাহিত হন। এ ছাড়া তথ্যের অপ্রাপ্যতাও একটি বড় সমস্যা। অনেক ব্যবসায়ী জানেনই না কোন কাজের জন্য কোথায় যেতে হবে, কী কী কাগজ লাগবে, কত সময় লাগবে। এই অজ্ঞতাকে পুঁজি করেই দালালচক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে।
Advertisement
তাই একটি নাগরিকবান্ধব ব্যবসায়িক নীতিমালার গুরুত্ব দেখা দিয়েছে। এই কার্যকর নীতিমালার প্রথম বৈশিষ্ট্য হতে হবে স্বচ্ছতা। প্রতিটি নিয়ম, ফি, প্রক্রিয়া এবং সময়সীমা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ ও প্রকাশ করতে হবে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে এসব তথ্য সহজলভ্য করতে হবে, যাতে কেউ বিভ্রান্ত না হয়। জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। কোনো কর্মকর্তা যদি দায়িত্বে অবহেলা করেন বা ইচ্ছাকৃতভাবে হয়রানি করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে অভিযোগ জানানোর একটি সহজ ও কার্যকর ব্যবস্থা থাকতে হবে।
প্রক্রিয়াগুলো সহজ করতে হবে। ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালু করে ব্যবসা শুরু করার সব প্রক্রিয়া এক জায়গা থেকে সম্পন্ন করার ব্যবস্থা করতে হবে। এতে সময় ও খরচ দুটোই কমবে। ডিজিটালাইজেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। লাইসেন্স আবেদন, কর পরিশোধ, রিপোর্ট জমা- সবকিছু অনলাইনে করা গেলে দুর্নীতি অনেকাংশে কমে যাবে এবং স্বচ্ছতা বাড়বে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (SME) জন্য সহজ শর্তের জরুরি সহায়তা থাকা জরুরি। কারণ এই সেক্টরটিই মূলত দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। তাই সহজ ঋণ, প্রশিক্ষণ এবং কর ছাড়ের মতো সুবিধা দিয়ে এই সেক্টরের সঙ্গে যুক্তদের সহযোগিতার মাধ্যমে উৎসাহিত করতে হবে।
একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী হিসেবে আমার দৃষ্টিতে এখন করণীয় একটি সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে, যেখানে সব ধরনের ব্যবসার জন্য একটি অভিন্ন কাঠামো থাকবে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে হবে, যাতে একে অপরের কাজের পুনরাবৃত্তি না হয়। আইন প্রয়োগে কঠোরতা আনতে হবে। শুধু আইন করলেই হবে না, তা সঠিকভাবে প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করতে হবে।
ব্যবসায়ী ও নাগরিকদের মতামতকে গুরুত্ব দিতে হবে। নীতিমালা প্রণয়নের আগে এবং পরে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। এতে নীতিমালা বাস্তবসম্মত ও কার্যকর হবে। শিক্ষা ও সচেতনতা বাড়াতে হবে। নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করতে হবে, যাতে তারা সহজেই ব্যবসা শুরু করতে পারেন এবং নিয়ম-কানুন সম্পর্কে অবগত থাকেন। প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। ব্লকচেইন, অটোমেশন এবং ডাটা অ্যানালিটিক্সের মতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যবসায়িক কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ ও দক্ষ করা সম্ভব।
আমি মনে করি, একটি ব্যবসায়িক নীতিমালা তখনই নাগরিকবান্ধব হবে, যখন তা শুধু ব্যবসায়ীদের নয়, সাধারণ মানুষের স্বার্থও রক্ষা করবে। এর জন্য ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। নকল পণ্য, ভেজাল খাদ্য এবং প্রতারণার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে ব্যবসার প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। পরিবেশ সুরক্ষাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো ব্যবসা যদি পরিবেশের ক্ষতি করে, তাহলে তা দীর্ঘমেয়াদে দেশের জন্য ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনবে। তাই পরিবেশবান্ধব ব্যবসাকে উৎসাহিত করতে হবে।
এটা মানতে হবে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়কে। এই অগ্রযাত্রা টেকসই করতে হলে আমাদের ব্যবসায়িক খাতকে আরও শক্তিশালী, স্বচ্ছ এবং নাগরিকবান্ধব করতে হবে। একটি কার্যকর ব্যবসায়িক নীতিমালা শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়াবে না বরং সামাজিক ন্যায়বিচার, কর্মসংস্থান এবং জনগণের আস্থা নিশ্চিত করবে। এটা কেবল সরকারের একার দায়িত্ব নয়- ব্যবসায়ী, নাগরিক সমাজ এবং সাধারণ জনগণ সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং ন্যায়নীতির ভিত্তিতে গড়ে উঠুক আমাদের ব্যবসায়িক পরিবেশ।
আমি মনে করি, দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও সাধারণ মানুষের জীবনযাপনে যে ভিন্নতা দৃশ্যমান নতুন সরকার তা উপলব্ধি করেছেন। বিগত সময়ে লুটপাটের কারণে বর্তমান সরকারের সামনে দেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি অর্থাৎ ব্যাংক খাত, রাজস্ব আয় এমনকি বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ ব্যবস্থা কার্যত ভঙ্গুর। সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে এই সত্যটি স্বীকার করেছেন। তাই জরুরি ভিত্তিতে উল্লিখিত পদক্ষেপগুলো নিলে অর্থনৈতিক বিপর্যয় এড়ানো সহজ হবে। আমি মনে করি, সময় এখনই। সিদ্ধান্ত নিতে হবে এখনই। কারণ একটি সঠিক নীতিমালা আজকের সমস্যার সমাধানই শুধু নয়, ভবিষ্যতের সম্ভাবনাকেও উন্মুক্ত করে দেয়।
লেখক : কলাম লেখক ও শিল্পোদ্যোক্তা।
এইচআর/এমএস