বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘আপাদমস্তক নাস্তিক ও ইসলামবিদ্বেষী’ বলে মন্তব্য করায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের এমপি ও ইসলামি বক্তা আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন সিরাজগঞ্জ আদালত।
Advertisement
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতের বিচারক সুমন ভুঁইয়া এই নির্দেশ দেন।
এর আগে ২ এপ্রিল সিরাজগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ূন কবীর বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। পরে আদালতের বিচারক সুমন ভুঁইয়া মামলাটি আমলে নিয়ে সমন জারির নির্দেশ দেন।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও মামলার বাদী অ্যাডভোকেট হুমায়ূন কবীর জাগো নিউজকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
Advertisement
তিনি জানান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ একজন সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান। তিনি বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত। তিনি তার সংসদীয় আসনে অসংখ্য মসজিদ ও মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেছেন। শুধু তাই নয়, তিনি ইসলামের সমস্ত আদেশ মেনে যথারীতি নামাজ, রোজা, হজ ও যাকাত পালন করে আসছেন। কিন্তু গত ২৭ মার্চ কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর বড় মসজিদে জুমার খুতবার আগে আলোচনায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রীর দেওয়া এক বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে মুফতি আমির হামজা বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু একজন নাস্তিক ও আপাদমস্তক ইসলামবিদ্বেষী। পরবর্তীতে তার ওই বক্তব্যের একটি ভিডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ভিডিওটি প্রকাশ পেলে আমার নজরে আসে। এতে মন্ত্রীর সম্মানহানি হয়েছে বলে আমি দণ্ডবিধির ২৯৬, ৫০০ ও ৫০৪ ধারায় মানহানির একটি মামলা করেছিলাম। এ মামলায় আজ বিচারক তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
একই ঘটনায় গত ৩০ মার্চ সিরাজগঞ্জ সদর আমলি আদালতে অ্যাডভোকেট এসএম নাজমুল ইসলাম বাদী হয়ে আমির হামজার বিরুদ্ধে শতকোটি টাকার মানহানির মামলা করেছেন।
এম এ মালেক/এফএ/এএসএম
Advertisement