শেরপুরে ফিলিং স্টেশন থেকে পাচারকালে ৮৩৫ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়েছে। এসময় স্টেশন কর্তৃপক্ষকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। বুধবার (২২ এপ্রিল) ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার রাজিব সরকার জরিমানা করেন।
Advertisement
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাবর ফিলিং স্টেশন থেকে একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যানে করে চারটি ড্রামে প্রায় ৮৩৫ লিটার ডিজেল নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। ওইসময় গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শেরপুর সদর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ভ্যানসহ ডিজেল জব্দ করে এবং ফিলিং স্টেশনের দুই কর্মচারীকে আটক করে।
আটকরা হলেন- সদর উপজেলার ছয়ঘড়িপাড়া গ্রামের শাজাহান আলীর ছেলে রবিন এবং গৌরীপুর এলাকার হরমুজ আলীর ছেলে জিয়াউর রহমান।
পরে বুধবার সকালে শেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাজিব সরকারের নেতৃত্বে বাবর ফিলিং স্টেশনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। ওই সময় আগের রাতে জব্দ করা তেল ও আটক দুই কর্মচারীকে সেখানে নেওয়া হয়। পরে অবৈধভাবে তেল মজুতের উদ্দেশ্যে বহনের অপরাধে বাবর ফিলিং স্টেশনকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। ফিলিং স্টেশনের দায়িত্বে থাকা ফজলুল হকের নামে এই জরিমানা আরোপ করা হয়।
Advertisement
সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাজিব সরকার বলেন, বাবর ফিলিং স্টেশনে অবৈধ তেল মজুতের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এতে ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি জব্দকৃত ৮৩৫ লিটার ডিজেল খোলা বাজারে বিক্রি করে ৯৬ হাজার ২৫ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে। অবৈধভাবে জ্বালানি মজুত ও বিক্রির বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
এ বিষয়ে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা বলেন, গত রাতে চার ড্রাম তেলসহ একটি ভ্যান আটক করা হয়। পরে সেগুলো ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমের জন্য ফিলিং স্টেশনে নেওয়া হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত বাবর ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন। জরিমানা পরিশোধের পর আটক রবিন ও জিয়াউর রহমানকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
মো. নাঈম ইসলাম/এনএইচআর/জেআইএম
Advertisement