মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত নেতা অং সান সু চিকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সামরিক জান্তা তাকে কারাগার থেকে গৃহবন্দি অবস্থায় নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর শুক্রবার (১ মে) এই আহ্বান জানায় ওয়াশিংটন। পাঁচ বছর আগে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তাকে আটক করা হয়েছিল।
Advertisement
সু চির বিলুপ্ত রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) এক জ্যেষ্ঠ সূত্র বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছে, তাকে রাজধানী নেপিদোর একটি ঠিকানায় গৃহবন্দি করে রাখা হতে পারে।
২০২১ সালে সু চির নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করেন তৎকালীন জান্তাপ্রধান ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং। এরপর বিভিন্ন অভিযোগে তাকে আটক রাকা হয়। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, শান্তিতে নোবেলজয়ী এই রাজনীতিককে রাজনৈতিকভাবে নিষ্ক্রিয় করার জন্যই ওইসব অভিযোগ সাজানো হয়েছিল।
এরপর শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রায় ৫ কোটি জনসংখ্যার এই দেশটিতে হাজারো মানুষ নিহত হয়েছে ও লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
Advertisement
৮০ বছর বয়সী সু চি এখনো মিয়ানমারের ভেতরে ব্যাপক জনপ্রিয়। তবে তাকে প্রায় সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় আটক রাখা হয়েছে। তার পরিবার জানিয়েছে, তার শারীরিক অবস্থা ক্রমেই অবনতি হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র বলেন, আমরা সু চির অবিলম্বে ও নিঃশর্ত মুক্তির আহ্বান জানিয়ে যাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, তার শারীরিক অবস্থার অবনতির খবরের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা জান্তাকে আহ্বান জানাই, যেন সু চি যথাযথ চিকিৎসাসেবা পান।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) মিন অং হ্লাইংয়ের দপ্তর থেকে একটি ছবি প্রকাশ করা হয়, যেখানে সু চিকে দুই ব্যক্তির মাঝখানে বসা অবস্থায় দেখা যায়- একজন খাকি শার্ট পরা ও অন্যজন পুলিশের পোশাক পরিহিত।
সূত্র: এএফপি
Advertisement
এসএএইচ