ফিচার

পরীদের জাদুতে ভরা এক রহস্যময় দিন

কখনও কি মনে হয়েছে, বাস্তবতার এই ব্যস্ত পৃথিবীর আড়ালে কোথাও সত্যিই লুকিয়ে আছে এক রহস্যময় জগৎ-যেখানে ছোট ছোট ডানাওয়ালা পরীরা নীরবে ঘুরে বেড়ায়, প্রকৃতিকে ছুঁয়ে দেয় জাদুর আলো?

Advertisement

২৪ জুনের ‘পরী দিবস’ ঠিক সেই কল্পনার দরজাটাই খুলে দেয়। এই দিনটি শুধু একটি উদযাপন নয়, বরং মানুষের ভেতরের সেই হারিয়ে যাওয়া শিশুসত্তাকে ফিরে পাওয়ার এক নীরব আহ্বান-যেখানে বিশ্বাস, কল্পনা আর বিস্ময় একসাথে মিলে গড়ে তোলে এক জাদুময় পৃথিবী।

আরও পড়ুন প্রতি শনিবার ব্রাজিলে পালিত হয় বিশেষ রীতি, কিন্তু কেন?

পরী দিবসের মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের কল্পনাশক্তিকে উদযাপন করা। পরীরা বিভিন্ন সংস্কৃতির লোককাহিনিতে ভিন্ন ভিন্ন রূপে দেখা যায়-কোথাও তারা প্রকৃতির রক্ষক, কোথাও তারা শিশুদের স্বপ্ন পূরণকারী জাদুকরী সত্তা, আবার কোথাও তারা রহস্যময় বনভূমির অধিবাসী। এই বৈচিত্র্যই পরীদের করে তুলেছে বিশ্বব্যাপী কল্পনার একটি সার্বজনীন প্রতীক।

এই দিবসটি শিশুদের জন্য যেমন আনন্দের, তেমনি বড়দের জন্যও এক ধরনের নস্টালজিয়া। ছোটবেলার গল্প, দাদি-নানির মুখে শোনা পরীর কাহিনি, কিংবা রূপকথার বইয়ের পাতায় দেখা ঝলমলে ডানা-সবকিছুই এই দিনে নতুন করে মনে পড়ে যায়। অনেকেই এই দিনটি উদযাপন করেন রূপকথার পোশাক পরে, গল্প বলা ও চিত্রাঙ্কনের মাধ্যমে, আবার কেউ কেউ শুধু কল্পনার জগতে ডুবে গিয়ে স্মৃতিচারণ করেন।

Advertisement

আরও পড়ুন এই গ্রামের পুরুষদের লক্ষ্যই পালোয়ান হওয়া

পরী দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, বাস্তবতা যতই কঠিন হোক না কেন, কল্পনার একটি নিজস্ব শক্তি আছে। সেই কল্পনাই আমাদের সৃজনশীলতা বাড়ায়, নতুন চিন্তার জন্ম দেয় এবং জীবনে এক ধরনের আনন্দ ও বিস্ময় যোগ করে।

আজকের আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর পৃথিবীতেও পরী দিবস তাই বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এটি আমাদের শেখায়-মানুষ শুধু বাস্তবতার প্রাণী নয়, সে স্বপ্ন দেখতেও ভালোবাসে, আর সেই স্বপ্নই অনেক সময় নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দেয়।

আরও পড়ুন আষাঢ় ঘিরে বদলে যায় বাঙালির জীবনযাত্রা

পরী দিবস কেবল একটি কল্পনাভিত্তিক উদযাপন নয়; এটি মানুষের অন্তর্নিহিত কল্পনাশক্তি, সৃজনশীলতা এবং বিস্ময়বোধকে সম্মান জানানোর একটি প্রতীকী দিন।

জেএস/

Advertisement