দেশজুড়ে

এক মাস পর বড়পুকুরিয়ার তৃতীয় ইউনিট চালু

এক মাস বন্ধ থাকার পর দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিটটি চালু করা হয়েছে।

Advertisement

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাত ৯টা ৩২ মিনিটে চালু হওয়া এ ইউনিট থেকে ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ‘এতে করে উত্তরের জেলা গুলোতে লোডশেডিং কমে যাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘একই সঙ্গে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্রথম ইউনিটটিও চালু রয়েছে, যেখান থেকে ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। এতে করে কয়লাভিত্তিক এই তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে।’

Advertisement

জানা যায়, ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসের শেষ সপ্তাহে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার তৃতীয় ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ৪ দশমিক ২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা দেশি মুদ্রায় প্রায় ৫১ কোটি ৫৬ লাখ টাকা খরচ করে গত ২০ মে বিকালে ইউনিটটি পুনরায় চালু করা হয়। কিন্তু উৎপাদন শুরুর মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় ইউনিটটির দুটি যন্ত্রাংশ বিকল হয়ে যায়। এতে ২৫ মে উৎপাদন ফের বন্ধ করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘ এক মাস সংস্কার কাজ শেষে মঙ্গলবার রাতে ইউনিটটি আবারও চালু করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এই তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার দ্বিতীয় ইউনিটটি ২০২০ সাল থেকে বন্ধ রয়েছে। সেটাও সংস্কার করে চালুর জন্য কাজ চলমান রয়েছে।

২০০৬ সালে বড়পুকুরিয়া খনির কয়লার ওপর নির্ভর করে ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের যাত্রা শুরু হয়। শুরুতে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি ইউনিট নিয়ে উৎপাদন শুরু হলেও ২০১৭ সালে আরও একটি ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার তৃতীয় ইউনিট যুক্ত হয়। এতে কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়। তবে নানা জটিলতায় কেন্দ্রটি কখনোই একসঙ্গে তিনটি ইউনিট চালু করে ক্ষমতার সর্বোচ্চ উৎপাদন করতে পারেনি।

এমদাদুল হক মিলন/এএইচ/জেআইএম

Advertisement