প্রশ্ন: ফরজ নামাজের সুন্নত ও অন্যান্য নফল নামাজ জামাতে পড়া যাবে?
Advertisement
উত্তর: পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ, জুমা ও দুই ঈদের নামাজ জামাতে আদায় করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সুন্নতে মুআক্কাদা যা ওয়াজিবের সমতুল্য বা প্রায় কাছাকাছি। এ ছাড়া তারাবিহ, রমজানের বিতর, ইস্তেসকা (বৃষ্টির জন্য নামাজ) ও সূর্যগ্রহণের নামাজও জামাতে আদায় করা সুন্নত।
তাহাজ্জুদসহ অন্যান্য সুন্নত ও সকল প্রকার নফল নামাজ একা আদায় করাই সুন্নত। এসব নামাজের ক্ষেত্রে জামাতের বিধান নেই। নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ও তার সাহাবিরা এই নামাজগুলো একা আদায় করতেন। সম্ভব হলে এসব নামাজ ঘরে পড়াই বেশি উত্তম।
আরও পড়ুন এক সালামে ছয় রাকাত নফল নামাজ পড়া যাবে?হজরত আবদুল্লাহ ইবনে সাদ (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঘরের নামাজ এবং মসজিদের নামাজের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, তুমি দেখছ, মসজিদ আমার ঘরের এত নিকটে হওয়া সত্ত্বেও ফরজ নামাজ ছাড়া অন্যান্য নামাজগুলো আমি ঘরে পড়তেই পছন্দ করি। (শামায়েলে তিরমিজি: ২৮০)
Advertisement
তবে সুন্নত বা নফল নামাজে যদি ইমাম ছাড়া একজন বা দুইজন মুক্তাদি থাকে অর্থাৎ ইমামসহ তিনজন মিলে জামাত করে, তাহলে এটা জায়েজ, মাকরুহ হবে না। ইমাম ছাড়া তিনজন মুক্তাদি থাকলে মাকরুহ হবে কি না এ ব্যাপারে ফকিহদের মধ্যে মতবিরোধ আছে। কিন্তু ইমাম ছাড়া চারজন মুক্তাদি হলে তা সর্বসম্মতিক্রমে মাকরুহ।
আরও পড়ুন নফল নামাজের নিয়ত ও নিয়মওএফএফ