খেলাধুলা

ব্রাজিলকে শেষ সময়ে জিতিয়ে ঘোর কাটছে না মার্টিনেল্লির

বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করার ম্যাচে ব্রাজিলের নায়ক ছিলেন গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি। যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনে সোমবার জাপানের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয়ে নির্ধারক গোলটি করেন এই ফরোয়ার্ড।

Advertisement

ম্যাচ শেষে আবেগাপ্লুত মার্টিনেল্লি বলেন, জাতীয় দলের সাফল্যে অবদান রাখতে পেরে তিনি ভাষাহীন, ‘ব্রাজিলের মানুষদের যোগ্যতা অর্জনের আনন্দে উচ্ছ্বসিত দেখতে পেয়ে আমার হৃদয়ের আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আমার পরিবার, আমার স্ত্রী, বাবা-মা, বন্ধুদের মুখে হাসি দেখে আমি কী অনুভব করছি, তা ব্যাখ্যা করতে পারছি না। এখনও যেন বিশ্বাসই হচ্ছে না। হয়তো কিছু সময় পর বিষয়টা পুরোপুরি উপলব্ধি করতে পারব।’

ম্যাচের আগে পরিবারের সঙ্গে কাটানো সময়ের কথা মনে করিয়ে এই আর্সেনাল তারকা বলেন, ‘কয়েকদিন আগে পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। বলেছিলাম, আগের ম্যাচে পোস্টে বল লেগেছিল, কিন্তু আবার সুযোগ পাব। ঈশ্বরের কৃপায় আজ গোল করতে পেরেছি। দলের জন্য আমি খুবই খুশি। সবাই নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়েছে। আমি সত্যিই ভাষাহীন।’

দ্বিতীয়ার্ধের ২১ মিনিটে মাতেউস কুনহার বদলি হিসেবে মাঠে নামেন মার্টিনেল্লি। কিছুক্ষণ পরই জাপানের ডিফেন্ডারদের সঙ্গে পেনাল্টি বক্সে বলের লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়েন তিনি। সেই সময় মায়েদার আঘাত তার মুখে লাগে। মার্টিনেল্লি পেনাল্টির দাবি জানালেও রেফারি খেলা চালিয়ে যেতে বলেন। ওই সংঘর্ষে তার মুখে চোট লাগে এবং পরে সেই আঘাতের দাগও দেখা যায়।

Advertisement

আর্সেনালের এই তারকা এদিন নিজের পরিচিত উইঙ্গারের ভূমিকায় নয়, বরং মিডফিল্ডে খেলেন। ম্যাচ শেষে জানালেন, কোচ কার্লো আনচেলত্তি তাকে কী নির্দেশনা দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই, আমি এই পজিশনে খুব বেশি খেলি না। তবে কোচ আমার সঙ্গে কথা বলেছেন, কীভাবে মাঝমাঠের কেন্দ্রীয় ভূমিকায় খেলতে পারি। সেটা উইং হোক বা মাঝখান—যেখানেই খেলি না কেন, আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করব ব্রাজিলকে সাহায্য করার।’

এখন ব্রাজিল অপেক্ষায় রয়েছে নরওয়ে ও আইভরি কোস্টের মধ্যকার ম্যাচের বিজয়ীর। শেষ ষোলোর সেই লড়াই অনুষ্ঠিত হবে আগামী রোববার।

আরআর/এমএমআর

Advertisement