অবিশ্বাস্য এক টাইব্রেকারে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয জায়গা করে নিয়েছে মরক্কো। নির্ধারিত ৯০ মিনিট ও অতিরিক্ত ৩০ মিনিট (মোট ১২০ মিনিট) শেষে ১-১ সমতায় থাকা ম্যাচে টাইব্রেকারে ৩-২ ব্যবধানে জিতে উৎসবে মাতে অ্যাটলাস লায়ন্সরা। মরক্কোর জয়ের নায়ক গোলরক্ষক ইয়াসিন বোনো। তবে শুধু সেভের জন্য নয়, আলোচনায় এসেছেন তার অভিনব কৌশলও।
Advertisement
অন্য গোলরক্ষকদের মতো একদিকে ঝাঁপ না দিয়ে প্রতিপক্ষের শটের আগে প্রায় স্থিরই দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি। গোললাইনের মাঝখান থেকেও সামান্য সরে দাঁড়িয়ে শট নেওয়া ফুটবলারদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন।
সোমবার রাতে টাইব্রেকারের শুরুটা হয় নাটকীয়ভাবে। নেদারল্যান্ডসের টিউন কুপমেইনার্স গোল করলেও মরক্কোর এল আয়নাউই প্রথম শটেই ক্রসবারে মারেন। এরপর জাস্টিন ক্লুইভার্ট বোনোকে ধোঁকা দিতে থেমে শট নিলেও বল লাগে পোস্টে।
মরক্কোর রহমানি শট নিলে নেদারল্যান্ডস গোলরক্ষক বার্ট ভারব্রুগেন প্রথমে ঠেকিয়েছিলেন। তবে রিবাউন্ড বল তার পায়ে লেগেই জড়িয়ে যায় জালে। এরপর ভাউট ভেগহর্স্ট ও তালবি গোল করেন। কিন্তু টিম্বারের শট ঠেকিয়ে দেন বোনো, অন্যদিকে আশরাফ হাকিমির শট পোস্টে লাগায় সমতা থাকে ২-২।
Advertisement
পঞ্চম শটে আসে ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট। ক্রিসেনসিও সামারভিলে ডান কোণে শট নিতে গেলে বোনো একদম শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করে হাত বাড়িয়ে অবিশ্বাস্যভাবে সেভ করেন। এরপর ইসমায়েল সাইবারি গোল করে মরক্কোর জয় নিশ্চিত করেন।
এই হারের মাধ্যমে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি টাইব্রেকারে হারের যৌথ রেকর্ড গড়ল নেদারল্যান্ডস। স্পেনের সঙ্গে সমান চারবার টাইব্রেকারে বিদায় নিতে হলো ডাচদের। এর আগে ১৯৯৮ সালে ব্রাজিল এবং ২০১৪ ও ২০২২ সালে আর্জেন্টিনার কাছেও টাইব্রেকারে হেরেছিল তারা। এবার সেই তালিকায় যোগ হলো মরক্কোর নামও।
এসকেডি/আইএইচএস/
Advertisement